UsharAlo logo
বুধবার, ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

সাবধানতা অবলম্বন করলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষের ক্ষতির পরিমান কমবে -সিটি মেয়র

ঊষার আলো ডেস্ক
জানুয়ারি ২৬, ২০২৪ ২:২৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতি বিশ্বজুড়ে মানুষের একটি জীবন্ত বাস্তবতা। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দিন দিন প্রাকৃতিক দুর্যোগ বেড়ে যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ, প্রভাব ও করণীয় দিকগুলো নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে প্রচার প্রচারণার মাধ্যমে মানুষের সচেতনতা বাড়াতে হবে। সাবধানতা অবলম্বন করলে মানুষের ক্ষতির পরিমান কমবে।

 

তিনি বৃহস্পতিবার নগরীর সিএসএস আভা সেন্টারে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এ্যাডামস আয়োজিত ‘মাল্টি অ্যাক্টর পার্টনারশিপ (এমএপি) প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশে জলবায়ু সহনশীলতার উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতির জাতীয় কৌশল প্রণয়নে সহযোগিতা কার্যক্রম’ শীর্ষক প্রকল্পের দিনব্যাপী সূচনা কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

মেয়র বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সাল থেকে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এখন শহরের সকল সুযোগ-সুবিধা গ্রামের মানুষও পাচ্ছেন। গ্রামাঞ্চলে সাইক্লোন সেন্টারসহ আশ্রায়ণ প্রকল্প নির্মাণ করা হচ্ছে। অতীতে ঝড়-জলোচ্ছাস-বন্যার আগাম কোন সংবাদ পাওয়া না গেলেও বর্তমান সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগাম সংকেত পেয়ে সাধারণ মানুষ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে পারে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ আশ্রয়হীনদের ঘরবাড়ি নির্মাণ করে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের আহবান জানান মেয়র।

এ্যাডামসের নির্বাহী পরিচালক এসএম আলী আসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মীর আলিফ রেজা। কর্মশালায় মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ ইউসুফ আল হারুন। প্রকল্প সম্পর্কে ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন প্রকল্প কো-অর্ডিনেটর জিল্লুর রহমান ও এসএম সাফিন ইকবাল। কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও শিক্ষকরা অংশ নেন।

 

এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে ভুক্তভোগিদের চাহিদা চিহ্নিত করা এবং সবচেয়ে বিপদাপন্নদের স্বার্থসমূহ যথাযথভাবে জাতীয় ক্ষয়ক্ষতি কৌশলে উপস্থাপন নিশ্চিত করা, জাতীয় ক্ষয়ক্ষতি কৌশল প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করা, জাতীয় ক্ষয়ক্ষতি কৌশল প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ থেকে জ্ঞান অর্জন করা, ইউএফসিসিসি ক্ষয়ক্ষতি তহবিল, ক্ষয়ক্ষতি বিষয়ক সান্তিয়াগো নেটওয়ার্ক এবং আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়াকে বাংলাদেশের জাতীয় ক্ষয়ক্ষতি কৌশলের সাথে যুক্ত করা। বাংলাদেশের ক্ষয়ক্ষতির জাতীয় কৌশল প্রণয়নে সহযোগিতা শীর্ষক ম্যাল্টি অ্যাক্টর পার্টনারশীপ প্রকল্পটি ২০২৩ থেকে ২০২৬ সালের মাধ্যমে এ্যাডামস, জাতীয় পর্যায়ে আইক্যাড এবং জার্মানওয়াস দ্বারা বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটিতে অর্থনৈতিক সহায়তা করে জার্মান ফেডারেল মিনিস্ট্রি ফর ইকোনোমি কোঅপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিএমজেড)।