“ন্যায়পরায়ণতা ইসলামী চরিত্রের অন্যতম বিশেষ দিক। ন্যায়পরায়ণতার গুণ ছাড়া কোনো মানুষ প্রকৃত মানুষ হতে পারে না”— মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান। তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিজীবনে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই পরিবার ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।
আল মুনতাহা মাদরাসা ও আদর্শ হিফয খানার আয়োজনে দুই দিনব্যাপী বার্ষিক তাফসিরুল কুরআন মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আল্লাহ তায়ালা কুরআনে তিনটি আদেশ দিয়েছেন— ন্যায় বিচার করা, পরস্পরকে সম্মান করা এবং নিকট আত্মীয়দের দান করা। পাশাপাশি তিনটি কাজ থেকে নিষেধ করেছেন— অশ্লীলতায় জড়ানো, ইচ্ছাকৃত মন্দ কাজে লিপ্ত হওয়া এবং সীমালঙ্ঘন না করা। ইসলামের এই আদেশ-নিষেধ যথাযথভাবে মানতে পারলে সমাজ সুখী ও সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।
সভাপতিত্ব করেন মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা হাবিবুর রহমান। প্রধান বক্তা ছিলেন খুলনা দারুল কুরআন সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক মাওলানা মনিরুজ্জামান। এ ছাড়া মাওলানা আব্দুল গফফার, মাওলানা হাসিবুল্লাহ মিসবাহ, মাওলানা নজরুল ইসলাম, আজিজুল ইসলাম ফারাজী, ফজলে রাব্বি, এস এম আজিজুর রহমান স্বপন, মাওলানা মোশাররফ আনসারি, রেজাউল কবির, খাইরুল বাশারসহ অন্যান্য আলেমরা উপস্থিত ছিলেন।
খুলনা-৩ আসনের সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেন, কুরআনে আত্মীয়দের সাথে উত্তম আচরণের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আত্মীয়তার বন্ধন ইসলামে মর্যাদাপূর্ণ একটি বিষয়, যা পারিবারিক সম্পর্ককে দৃঢ় করে এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করে।
তিনি আরও বলেন, “ইসলাম শান্তির ধর্ম। মানবকল্যাণই ইসলামের মূল বার্তা। তাফসীরুল কুরআন মাহফিল মানুষের মাঝে ইসলামী জ্ঞান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
অনুষ্ঠানে হাজারো ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন এবং মাহফিলকে সফল করতে স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা ছিল উল্লেখযোগ্য।
ঊআ-মোহন চৌধুরী
