UsharAlo logo
, |

এইচপিভি টিকার শতভাগ কভারেজ নিশ্চিতের আহ্বান

Mohon Chowdhury
আগস্ট ২৩, ২০২৬ ৮:১৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

খুলনা বিভাগের সমন্বিত ইপিআই, এইচপিভি, ওপেন এসআরপি এবং স্বাস্থ্য কর্মসূচি পর্যালোচনা শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালা রবিবার খুলনা হোটেল সিটি ইনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে কিশোরীদের এইচপিভি টিকা প্রদান একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের সকল ১০ বছর বয়সী কিশোরীকে এইচপিভি টিকার আওতায় এনে শতভাগ কভারেজ নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এই টিকা একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং এটি কিশোরীদের জরায়ুমুখ ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা দেবে।

ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস আরও বলেন, এইচপিভি টিকা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য গণমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দেশের মসজিদগুলোর ইমামদের সম্পৃক্ত করে মুসল্লিদের এ বিষয়ে সচেতন করা যেতে পারে। স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করলে একটি সুস্থ ও সচেতন জাতি গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক ডা. শেখ মো. মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) সিফাত মেহনাজ এবং ইউনিসেফের হেলথ ম্যানেজার ডা. রিয়াদ মাহমুদ।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন খুলনা পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক, এমআইএসের পরিচালক ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ইউনিসেফ খুলনার চিফ মো. কাওসার হোসেন, ইপিআইয়ের সহকারী পরিচালক ডা. সাব্বির হায়দার এবং খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. অপর্ণা বিশ্বাস।

কর্মশালায় বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ইপিআই, এইচপিভি টিকাদান, ওপেন এসআরপি এবং স্বাস্থ্য কর্মসূচির অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।

এতে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, খুলনা বিভাগের ১০ জেলার সিভিল সার্জন, চিকিৎসক, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, ইপিআই সুপার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং এনজিও প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন