খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) দুই দিনব্যাপী ন্যাশনাল জব ফেয়ার ‘জবস্পেকস ২০২৬’ শুরু হয়েছে। ১ ও ২ আগস্ট অনুষ্ঠিত এ মেলার আয়োজন করেছে স্পেকট্রাম-এ (স্কিল ডেভেলপমেন্ট ক্লাব অব কুয়েট)।
শনিবার আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন করেন কুয়েটের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক প্রফেসর ড. মো. হাসান আলী, স্পেকট্রাম-এ-এর মডারেটর ও যন্ত্রকৌশল বিভাগের প্রফেসর ড. মো. শরিফুল ইসলাম, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীরা।
আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থী, নবীন স্নাতক এবং নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। মেলায় দেশের ২০টি শীর্ষস্থানীয় জাতীয় ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে।
চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য মেলায় স্থায়ী চাকরি ও শিক্ষানবিশের সুযোগ, পেশাগত যোগাযোগ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে জানার সুযোগ এবং মানবসম্পদ বিভাগের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যে দেশের ৩৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিপ্রত্যাশীরা তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন। এছাড়া ৩৩টি সহযোগী ক্লাব এ আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে জাতীয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি পেশাগত দক্ষতা, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পরিচিতি এবং বাস্তব কর্মপরিবেশ সম্পর্কে ধারণা অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থী ও নবীন স্নাতকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য দক্ষ জনবল খুঁজে পাওয়ার কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।
আয়োজকদের মতে, ‘জবস্পেকস ২০২৬’ শুধু একটি চাকরি মেলা নয়; এটি শিক্ষার্থী, নবীন স্নাতক এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি পেশাগত সম্পর্ক গড়ে তোলার একটি সেতুবন্ধন। এ আয়োজনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সম্ভাব্য নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ পাচ্ছেন, যা তাদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
দুই দিনব্যাপী এ ন্যাশনাল জব ফেয়ার দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, নবীন স্নাতক এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ ও দক্ষ জনবল তৈরির ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আয়োজকরা।
