বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেছেন, খালিশপুর শিল্পাঞ্চল এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা অপরিহার্য। জনগণের উৎসাহ ও ইতিবাচক সাড়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মানুষ পরিবর্তন চায় এবং তাদের এই প্রত্যাশা ও ভালোবাসা তাঁকে আরও আন্তরিক ও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দিনব্যাপী খুলনা-৩ আসনের শিল্পাঞ্চলখ্যাত খালিশপুর থানার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে প্লাটিনাম জুট মিলস গেট থেকে ক্রিসেন্ট জুট মিলস ও পাওয়ার হাউস গেট পর্যন্ত গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, যেকোনো বিপদ-আপদে জামায়াতে ইসলামী সবসময় মানুষের পাশে রয়েছে। দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করাই তাদের লক্ষ্য। অতীতের পচা ও বস্তাপচা রাজনীতি থেকে জাতিকে মুক্ত করতে ইসলামী নেতৃত্বকে সংসদে পাঠাতে হবে।
গণসংযোগকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মহানগরী সভাপতি আজিজুল ইসলাম ফরাজী, মহানগর ছাত্রশিবির সভাপতি আরাফাত হোসেন মিলন, খালিশপুর থানা আমীর মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন শেখ, ৮ নম্বর ওয়ার্ড আমীর আবু সাঈদ, বি এল কলেজের সাবেক ভিপি অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবিরসহ জামায়াত ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
খুলনা-৩ আসনের এই এমপি প্রার্থী আরও বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে জামায়াতের কোনো নেতা দেশ ছেড়ে পালায়নি, কারণ এ দলে দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির কোনো স্থান নেই। সাবেক আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী ও সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেও দুর্নীতিমুক্ত ছিলেন। ভবিষ্যতে জামায়াত রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে বৈষম্যহীন, মানবিক ও ইনসাফভিত্তিক কল্যাণরাষ্ট্র গঠন করা হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, জামায়াত কোনো প্রতিবেশী রাষ্ট্রের করদ রাজ্য হতে চায় না। স্বাধীনতার পরবর্তী সরকারগুলো জাতীয় স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে বিদেশি আধিপত্য মেনে ক্ষমতা টিকিয়ে রেখেছে। ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা ফ্যাসিবাদের কবর রচনা করেছে, ভবিষ্যতে দেশে আর ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটতে দেওয়া হবে না।
ঊআ-মোহন চৌধুরী
