UsharAlo logo
, |

খুলনায় ‘তাপ সহনশীল নগরী’ গড়তে ডিজাইন প্রতিযোগিতার উদ্যোগ

Mohon Chowdhury
জুলাই ২৯, ২০২৬ ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

নগরকেন্দ্রিক তাপদাহের প্রভাব মোকাবিলায় ‘তাপ সহনশীল নগরী : নগর অবকাঠামো বিষয়ক নকশা/ডিজাইন প্রতিযোগিতা’ যৌথভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জুর সভাপতিত্বে নগর ভবনের জিআইজেড মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় কেসিসি, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি সংস্থা উত্তরণ এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা প্রাকটিক্যাল একশনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা প্রাকটিক্যাল একশন এ সভার আয়োজন করে।

সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান তাপপ্রবাহ নগরবাসীর জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। এ প্রেক্ষাপটে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘তাপ সহনশীল নগরী : নগর অবকাঠামো বিষয়ক নকশা/ডিজাইন প্রতিযোগিতা’ আয়োজনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রতিযোগিতার আওতায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে দুটি বিষয়ভিত্তিক উদ্ভাবনী সমাধান আহ্বান করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে নিম্ন আয়ের মানুষের বসতিতে স্বল্পব্যয়ী, বাস্তবায়নযোগ্য ও তাপ প্রশমনকারী আবাসন উন্নয়ন উদ্যোগ এবং শহরব্যাপী সহজলভ্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকর কুলিং সেন্টার বা আশ্রয়কেন্দ্রের নকশা প্রণয়ন।

আয়োজকরা জানান, প্রতিযোগিতার লক্ষ্য হলো এমন নকশা ও ধারণা চিহ্নিত করা যা নগরবাসীর তাপজনিত ঝুঁকি কমাতে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা জোরদার করতে এবং জলবায়ু সহনশীল নগর উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখতে পারে। একটি কারিগরি পর্যালোচনা কমিটি সেরা প্রস্তাবগুলো নির্বাচন করবে। নির্বাচিত দলগুলো তাদের নকশার প্রোটোটাইপ তৈরি করবে এবং সেরা তিনটি নকশা বিভাগের তীব্র তাপপ্রবণ এলাকায় বাস্তবায়ন করা হবে।

সভায় বাস্তবায়নের স্থান নির্বাচন, নগর পরিকল্পনাবিষয়ক কারিগরি মতামত প্রদান এবং কারিগরি কমিটিতে প্রতিনিধি মনোনয়নের ক্ষেত্রে খুলনা সিটি করপোরেশনের সহযোগিতা কামনা করা হয়। পাশাপাশি কেসিসিকে প্রতিযোগিতার সহযোগী আয়োজক হওয়ারও আহ্বান জানানো হয়। এ কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেয় কেসিসি।

সভায় কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, নির্বাহী প্রকৌশলী বিদ্যুৎ কুমার দাস ও শেখ মো. মাসুদ করিম, আর্কিটেক্ট রেজবিনা খানম, এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্কিটেকচার ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. রুমানা আজাদ, অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর মো. শেখ মারুফ হোসেন, লেকচারার মো. তৌকির হোসেন, আরবান অ্যান্ড রুরাল প্ল্যানিং ডিসিপ্লিনের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. মো. শরিফুল ইসলাম ও লেকচারার সুমাইয়া নাজ, প্রাকটিক্যাল একশনের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. সেলিম মোড়ল, প্রজেক্ট ম্যানেজার পলাশ সরকার, কর্মকর্তা নিশাত তাছনিম, উত্তরণের পরিচালক শহিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। সভা পরিচালনা করেন প্রাকটিক্যাল একশনের কর্মকর্তা তামান্না রহমান।