UsharAlo logo
, |

খুলনায় সুপেয় পানি সরবরাহে ব্যর্থ ওয়াশা, নগর সমস্যায় ক্ষোভ জনউদ্যোগের

ঊষার আলো ডেস্ক
ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫ ৮:১০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

খুলনাবাসীর প্রত্যাশা পূরণে ওয়াসা চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জনউদ্যোগ খুলনার নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, নগরবাসী চেয়েছিল ওয়াসা সুপেয় পানি সরবরাহ করবে, কিন্তু সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। বরং সুপেয় পানি পেতে নগরবাসীকে গুনতে হচ্ছে দ্বিগুণ অর্থ। গভীর নলকূপ স্থাপনের ক্ষেত্রেও নানা জটিলতার মুখে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় খুলনা সিভিল সোসাইটির অস্থায়ী কার্যালয়ে জনউদ্যোগ খুলনার উদ্যোগে আয়োজিত ষান্মাসিক কর্মপরিকল্পনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক শিক্ষকনেতা মানস রায় এবং সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সদস্য সচিব সাংবাদিক মহেন্দ্রনাথ সেন।
সভায় বক্তব্য রাখেন খুলনা নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আ ফ ম মহসীন, খুলনা সিভিল সোসাইটির আহ্বায়ক এস এম শাহনওয়াজ আলী, ওয়ার্কার্স পার্টির মহানগর কমিটির সভাপতি শেখ মফিদুল ইসলাম, সুরখালি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম সীপার, কনসেন্সের নির্বাহী পরিচালক সেলিম বুলবুল, ব্যবসায়ী মিয়া আরিফ হোসেন, নারীনেত্রী কৃষ্ণা দাশ, জনউদ্যোগ যুব সেলের জয় বৈদ্য, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদক সাগর সরকারসহ অন্যান্যরা।

বক্তারা বলেন, মিষ্টি পানির অজুহাতে মধুমতি নদী থেকে পানি এনে ব্যয় বৃদ্ধি করা হলেও আশানুরূপ কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। নগরীর পানির চাহিদা ও সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত না করে গভীর নলকূপ স্থাপনে জটিলতা সৃষ্টি করা অনুচিত। যতদিন পর্যন্ত ওয়াসা নগরবাসীর মৌলিক পানির চাহিদা পূরণ করতে না পারবে, ততদিন এ ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না বলে তারা মন্তব্য করেন।

সভায় আরও বলা হয়, খুলনা নগরী বর্তমানে মশার ভয়াবহ উপদ্রবে আক্রান্ত। এ থেকে নগরবাসীকে রক্ষা করতে সিটি করপোরেশনকে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে গল্লামারী ব্রিজ ও ময়লাপোতা এলাকায় যানজট নিরসনে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান বক্তারা। উপকূলীয় অঞ্চলের দুর্যোগ মোকাবেলায় চলতি মৌসুমের মধ্যেই বেড়িবাঁধের কাজ সম্পন্ন করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

বক্তারা আরও বলেন, খুলনা নগরীতে ধূলিকণা ও শব্দদূষণ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। অপরিকল্পিতভাবে বহুতল ভবন নির্মাণের কারণে রাস্তাঘাটে ধুলাবালি বেড়েছে। রাস্তার পাশে খোলা জায়গায় ইট-বালি ফেলে ব্যবসা করা পরিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া ইটভাটাগুলো এখনও নিয়ন্ত্রণহীনভাবে পরিচালিত হচ্ছে, যা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ।

সভায় নেতৃবৃন্দ সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষা, নারী ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর অধিকার সংরক্ষণে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন।

ঊআ-মোহন চৌধুরী