UsharAlo logo
, |
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খুলনায় হিমায়িত মৎস্য রপ্তানির সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে সেমিনার

Mohon Chowdhury
সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬ ৯:৫৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

হিমায়িত মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের রপ্তানি সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরণের উপায় নিয়ে খুলনায় এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) জাতীয় রপ্তানি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির (এনইটিপি) আওতায় রোববার সকালে বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাকক্ষে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ আরিফ হাসান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, খুলনা অঞ্চলের মৎস্য ও পাট খাত দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ খাতের সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এ খাতের সঙ্গে বিপুলসংখ্যক মানুষ সম্পৃক্ত। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মৎস্যসম্পদের অবদান আরও বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন খুলনা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক (উপসচিব) জিনাত আরা আহমেদ। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক (নীতি ও পরিকল্পনা বিভাগ) আবু মোখলেছ আলমগীর হোসেন।

এছাড়া বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. তরিকুল ইসলাম জহীর, সহ-সভাপতি এস কে কামরুল আলমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন।

মূল প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের মৎস্য খাতের ওপর ১ কোটি ৯০ লাখের বেশি মানুষ নির্ভরশীল। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বাংলাদেশের মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। দেশের জিডিপিতে এ খাতের অবদান ২ দশমিক ৫৩ শতাংশ এবং কৃষি খাতে অবদান ২২ দশমিক ২৬ শতাংশ। বর্তমানে দেশে মোট মৎস্য উৎপাদন প্রায় ৫০ দশমিক ১৮ লাখ মেট্রিক টন।

সেমিনারে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, হিমায়িত মৎস্য রপ্তানিকারক, ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, মৎস্য খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।