ঊষার আলো ডেস্ক : অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ২০ ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৯টি শিশু রয়েছে। এর আগে উপকূলীয় অঞ্চলটি থেকে ইসরায়েলে রকেট হামলা চালায় হামাস। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানান, তারা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো, রকেট লাঞ্চার ও সামরিক ফাঁড়িতে বিমান হামলা করেছে। খবর রয়টার্স ও আলজাজিরার।
ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি বাহিনী আরও মারমুখি হচ্ছে, অধিকার আদায়ে মাঠে নামলেও একবিন্দুও ছাড় দিচ্ছে না দখলকারিরা। কোণঠাসায় ফিলিস্তিনিদের হয়ে হামাসের রকেট হামলার জবাবের পর ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলায় নিহত হয়েছে ২০ ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছে আরও অনেকে। আর্তনাদে ভারী হয়ে উঠছে আকাশ।
পবিত্র আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে গুলির মুখে পালিয়ে বের হয় নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিরা। নির্বিচারে গুলি চালানো হয়েছে শান্তিপূর্ণ ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে ফেলতে। যেখানে নামাজ ও ইবাদতের স্থান সেখানকার পবিত্রতার বিন্দুমাত্র তোয়াক্কা করেনি ইহুদিরা।
ফিলিস্তিনের জেরুজালেমসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় রাতভর চলে দফায় দফায় আক্রামণ। যে কোনো মূল্যে নিরস্ত্র প্রতিবাদকারীদের হটিয়ে দেওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য। গুলি চালানোর পাশাপাশি স্টেন গ্রেনেড হামলা করেন তারা।
ইসরায়েলের এমন নির্মম হামলার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্র যথারীতি দুষছে ফিলিস্তিনিদের সংগঠন হামাসকে। সংগঠনটি যা করেছে তা গ্রহযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নেড প্রাইস।
গেলো কয়েকদিন ধরেই জেরুজালেমে পবিত্র আল-আকসা মসজিদ ও এর আশপাশের এলাকায় ইসরায়েলি পুলিশের সঙ্গে ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ চলছে।
ইসরায়েলি বাহিনী শান্তিপূর্ণ মুসল্লিদের ওপর বিনা উসকানিতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। মূলত বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ ও পবিত্র আল আকসায় নামাজ আদায় করতে বাধা দেওয়াসহ দমনপীড়নের প্রতিবাদে কর্মসূচি পালন করছে তারা। পাল্টা বিক্ষোভ করেছে ইসরায়েলের সাধারণ মানুষও।
ফিলিস্তিনিদের নিজেদের ভূমি থেকে উচ্ছেদের প্রতিবাদে বিক্ষোভ হয়েছে জর্ডান তুরস্কসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।
(ঊষার আলো- এম. এইচ)
