খুলনা মহানগরীতে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধ এবং মশক নিয়ন্ত্রণে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) পরিচালিত ক্রাশ প্রোগ্রামের আওতায় রবিবার মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।
কেসিসির এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল ইমরানের নেতৃত্বে নগরীর ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের হাজী ইসমাইল লিংক রোড এলাকায় পরিচালিত মোবাইল কোর্টে বাড়ির আঙিনা অপরিচ্ছন্ন রাখার দায়ে দীপক রায়কে ৩ হাজার টাকা, উম্মে হাবিবাকে ৩ হাজার টাকা এবং সাফিয়া আফরিনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে।
এছাড়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার অঙ্গীকারে আরও তিনজন বাড়ির মালিকের কাছ থেকে মুচলেকা গ্রহণ করা হয়।
কেসিসি সূত্রে জানানো হয়, নগরীর পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে ক্রাশ প্রোগ্রামের পাশাপাশি বাড়ি বা স্থাপনার সীমানার মধ্যে মশার প্রজননস্থল কিংবা অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট মালিকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, ঝোপঝাড়, পুরোনো টায়ার, কৌটা, ডাবের খোল, ডিমের খোসা, ফুলের টব, বেসিনের নিচে, ফ্রিজ ও এসির পাশে কিংবা অন্য কোনো স্থানে পানি জমে আছে কি না, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে এবং বাড়ির আঙিনা সবসময় পরিষ্কার রাখতে হবে।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় কেসিসির কঞ্জারভেন্সি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) সদস্যরা অংশ নেন। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে, একই দিনে সকাল থেকে নগরীর ২৪, ২৫, ২৬ ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে মশক নিয়ন্ত্রণ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করতে ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হয়। এতে কেসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মিউল ইসলাম, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. অহিদুজ্জামান খান, সাবেক কাউন্সিলর মো. শমসের আলী মিন্টুসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন
