খুলনা মহানগরীতে ডেঙ্গু সংক্রমণ প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদারের পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সচেতন করার আহ্বান জানিয়েছেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
বৃহস্পতিবার সকালে নগরীর সেন্ট জোসেফস্ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জেন্ডার ফোকালদের নিয়ে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও নবলোকের ওয়াশ ফর আরবান পুওর (ফেস-২) প্রকল্পের সহযোগিতায় সদর থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস এ সেমিনারের আয়োজন করে।
কেসিসি প্রশাসক বলেন, একজন শিক্ষার্থীকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতন করা গেলে সে তার পরিবারকেও সচেতন করতে পারে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রায় দুই মাস ধরে জলাবদ্ধতা নিরসন, মশক নিয়ন্ত্রণ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো হলেও প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যাচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের সহযোগিতা প্রয়োজন।
সেমিনারে জেন্ডার বৈষম্য ও সহিংসতা প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রশাসক বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জেন্ডার বিষয়ক অভিযোগ ও মতামত বক্স বিতরণ করেন।
এদিকে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে কেসিসির চলমান ক্রাশ প্রোগ্রামের অগ্রগতি পর্যালোচনায় নগর ভবনে পৃথক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মহানগরীকে ডেঙ্গু সংক্রমণের মাত্রা অনুযায়ী রেড, অরেঞ্জ ও ইয়োলো জোনে ভাগ করে মশকনাশক ওষুধ প্রয়োগ, মোবাইল কোর্ট অব্যাহত রাখা এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এর আগে কেসিসি প্রশাসক নগরীর ১৬ ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় চলমান ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শন করেন। একই দিন অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে কয়েকজনকে জরিমানা করা হয়।
খুলনা মহানগরীতে ডেঙ্গু সংক্রমণ প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদারের পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সচেতন করার আহ্বান জানিয়েছেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
বৃহস্পতিবার সকালে নগরীর সেন্ট জোসেফস্ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জেন্ডার ফোকালদের নিয়ে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও নবলোকের ওয়াশ ফর আরবান পুওর (ফেস-২) প্রকল্পের সহযোগিতায় সদর থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস এ সেমিনারের আয়োজন করে।
কেসিসি প্রশাসক বলেন, একজন শিক্ষার্থীকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতন করা গেলে সে তার পরিবারকেও সচেতন করতে পারে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রায় দুই মাস ধরে জলাবদ্ধতা নিরসন, মশক নিয়ন্ত্রণ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো হলেও প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যাচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের সহযোগিতা প্রয়োজন।
সেমিনারে জেন্ডার বৈষম্য ও সহিংসতা প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রশাসক বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জেন্ডার বিষয়ক অভিযোগ ও মতামত বক্স বিতরণ করেন।
এদিকে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে কেসিসির চলমান ক্রাশ প্রোগ্রামের অগ্রগতি পর্যালোচনায় নগর ভবনে পৃথক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মহানগরীকে ডেঙ্গু সংক্রমণের মাত্রা অনুযায়ী রেড, অরেঞ্জ ও ইয়োলো জোনে ভাগ করে মশকনাশক ওষুধ প্রয়োগ, মোবাইল কোর্ট অব্যাহত রাখা এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এর আগে কেসিসি প্রশাসক নগরীর ১৬ ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় চলমান ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শন করেন। একই দিন অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে কয়েকজনকে জরিমানা করা হয়।
