শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে খুলনায় মানববন্ধন করেছে খুলনা মহানগর ছাত্রশিবির। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার সময় শিববাড়ি মোড়ের বাবরি চত্ত্বরে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় বক্তারা বলেন,পাঁচটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পরাজয়ের পর ছাত্রদল ছাত্রসংসদ নির্বাচনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। এটি জাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জার বিষয়। মববাজি আর দলীয় প্রভাব খাটিয়ে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র জুলাই প্রজন্ম কোনোভাবেই মেনে নিবে না। হারার আশঙ্কায় নির্বাচন কমিশনের সামনে অবস্থান নিয়ে তরুণদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা ছাত্রসমাজ কখনোই মেনে নেবে না।
খুলনা মহানগর ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি আরাফাত হোসেন মিলন বলেন, “পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও হঠাৎ করে একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন বন্ধের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা স্পষ্টভাবে দেখতে পাচ্ছি, একটি ছাত্র সংগঠন খেলাচ্ছলে শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। এর আগেও কিছু সংগঠন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে নানা অজুহাতে অস্থিতিশীলতা তৈরি করেছে। নির্বাচন বাস্তবায়নের পথে যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করতে হবে। তা না হলে দেশের জনগণ ও শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদে নামবে।”
খুলনা মহানগর সেক্রেটারি রাকিব হাসান বলেন, “হাইকোর্ট ব্যবহার করে ফ্যাসিবাদী কায়দায় শাকসু নির্বাচন পেছানো হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা বুঝে গেছে দেশের ছাত্র সংসদ নির্বাচনগুলো কারা পেছাতে চায়, কারা নব্য ফ্যাসিবাদকে মদদ দিতে চায়।বাংলাদেশের ঐক্যবদ্ধ ছাত্রজনতা নতুন ফ্যাসিস্ট তৈরির এই আয়োজন কোনোভাবেই মেনে নেবে না।”
মহানগর সেক্রেটারি রাকিব হাসানের পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মহানগর দপ্তর সম্পাদক ইসরাফিল হোসেন, সাহিত্য সম্পাদক আহমেদ সালেহীন, প্রচার সম্পাদক এস এম বেলাল হোসেন, এইচআরডি সম্পাদক কামরুল হাসান, প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুর রশিদ, ছাত্র অধিকার সম্পাদক ইমরানুল হক, পাঠাগার সম্পাদক সেলিম হোসেন, ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক গোলাম মুয়িজ্জু, মাদরাসা সম্পাদক হাফেজ মুজাহিদুল হক, বিজ্ঞান সম্পাদক জে আই সাবিত, স্কুল সম্পাদক আদনান মল্লিক যুবরাজ, গবেষণা সম্পাদক ফারহান তূর্য, ক্রীড়া সম্পাদক সুলাইমান আবিদ, সমাজসেবা সম্পাদক হাফেজ নাঈম হোসাইন প্রমুখ। কর্মসূচিতে ছাত্রশিবির খুলনা মহানগরের বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীল নেতাকর্মী ছাড়াও সহস্রাধিক সাধারণ শিক্ষার্থী অংশ নেন।
ঊআ-রহমাতুল্লাহ
