UsharAlo logo
, |

সামাজিক সংহতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নাগরিক অংশগ্রহণ বিষয়ক জেলা পর্যায়ে পরামর্শ সভা

ঊষার আলো ডেক্স
মে ৪, ২০২৬ ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

খুলনায় ‘সামাজিক সংহতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নাগরিক অংশগ্রহণ’ বিষয়ক জেলা পর্যায়ে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোশ্যাল কোহেশন নেটওয়ার্ক (এসসিএন) এর সহযোগিতায় এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তরের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন খুলনার ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোঃ আরিফুল ইসলাম।

সভায় বক্তারা বলেন, গুজব, অপতথ্য ও ভুল তথ্য প্রতিরোধে সকলকে সচেতন থাকতে হবে। বর্তমানে ভুয়া তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে, যা সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। এ ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য প্রচারে ফ্যাক্ট-চেকিং প্ল্যাটফর্মগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

তারা আরও বলেন, শ্রম বৈষম্য, নারী নির্যাতন, যৌতুকপ্রথা, বহুবিবাহ ও ভূমি সংক্রান্ত অপরাধ দীর্ঘদিন ধরে সমাজে বিদ্যমান। এসব সমস্যা প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। পাশাপাশি সমাজে শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং প্রতিহিংসামূলক আচরণ পরিহার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। অনলাইনে উস্কানিমূলক পোস্ট ও বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান বক্তারা।

সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল, রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য অফিসার মোঃ মেহেদী হাসান, মহিলা বিষয়ক দপ্তরের উপপরিচালক সুরাইয়া সিদ্দীকা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এ সময় সামাজিক সংহতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নাগরিক অংশগ্রহণ বিষয়ক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক শাহদত হোসেন বাচ্চু।

পরামর্শ সভায় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, উন্নয়ন সংগঠনের প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, যুব ও নৃ-গোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

সভায় জানানো হয়, এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো নাগরিক সমাজ সংগঠন, সিএসও এবং জেলা প্রশাসনের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি, স্থানীয় সংঘাত ও ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা এবং সামাজিক সংহতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় করণীয় নির্ধারণ।

এছাড়া অনলাইন গুজবের দ্রুত বিস্তার, উস্কানিমূলক বক্তব্য, ছোট ঘটনাকে বড় করে তোলা, মধ্যস্থতার অভাব, সহিংসতা ও জীবনহানির ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা করা হয়। গুজব প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি, সংলাপ ও আস্থা গড়ে তোলা, সামাজিক মাধ্যমে ইতিবাচক বার্তা প্রচার, আগাম সতর্কতা প্রদান এবং শান্তিপূর্ণ সমাধান জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

ঊআ-রহ