ঊষার আলো প্রতিবেদক : খুলনা মহানগরীর (কেসিসির) ৩১ টি ওয়ার্ডের ৯৩ টি কেন্দ্রে আগামী ৭ আগস্ট থেকে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। ১৮ বছরের উর্দ্ধে সকল নারী পুরুষ এই টিকা পাবেন। এসময় মর্ডানার টিকা প্রদান করা হবে। বর্তমান সময়ে মহানগরীর ৫টি পয়েন্টে টিকাদান কার্যক্রম চলছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা টাক্সফোর্স কমিটির নির্দেশনায় বৃহস্পতিবার(২৯জুলাই) কেসিসি কর্মকর্তাদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক ঢাকা থেকে ভার্চ্যুয়ালী এ সভায় সভাপতিত্ব করেন।
এসময় বলা হয়, করোনা নির্মূলে ৩১ টি ওয়ার্ডে ইপিআই কেন্দ্রে সপ্তাহে ছয় দিন টিকাদান কার্যক্রম চলবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে ৩টি করে কেন্দ্রে একটি করে টিম কাজ করবে। সকাল ৯টা থেকে বিকেল তিনটি পর্যন্ত টিকাদান কার্যক্রম চলবে। টিকা গ্রহনের পরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কেন্দ্রে ১ ঘন্টা অবস্থান করতে হবে। ১৮ বছরের উর্দ্ধে সকল নারী পুরুষ এই সুবিধা পাবেন। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা প্রদানের লক্ষে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বয়োজেষ্ঠ্য এবং নারীদের টিকা প্রদান করা হবে। প্রতিটি টিমে প্রতিদিন কমপক্ষে দুইশ’ থেকে আড়াই শ’ জনকে মর্ডানার টিকা প্রদান করা হবে। এসব কেন্দ্রে রেজিস্ট্রেশনের পর টিকা গ্রহনকারীদের কোভিড-১৯ টিকার কার্ড প্রদান করা হবে। ২য় ডোজের সময় অবশ্যই টিকার কার্ড সাথে রাখতে হবে। কেসিসির এসব এলাকায় এই কর্মসূচি সফল করতে মাইক্রোপ্লান তৈরি করা হয়েছে।
কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগের সূত্র বলছে, প্রতিটি ওয়ার্ডে ছয় জন করে দক্ষ ইপিআই টিকাদানকর্মী প্রশিক্ষণ হবে। আজ(৩১ জুলাই) থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত প্রতি ব্যাচে ৩০ জন করে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন। টিকাদান কর্মী হিসেবে প্রত্যেকটি ওয়ার্ডের ভ্যাক্সিনেটর, স্টাফ নার্স, নার্সিং স্টুডেন্ট এবং অবসরপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মীদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।
খুলনা জেনারেল হাসপাতাল, পুলিশ হাসপাতাল, খুমেক হাসপাতাল, শহীদ শেখ আবু নাসের হাসপাতাল এবং খালিশপুর তিতুমির নেভি ক্যাম্পে মর্ডানার টিকা প্রদান করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, কোভিড-১৯ টিকা দেওয়ার জন্য অনলাইনের মাধ্যমে ২৭ জুলাই পর্যন্ত খুলনায় আবেদন করেছেন তিন লাখ ৭৩ হাজার ৯৫৯জন। এরমধ্যে ৯টি উপজেলার গ্রাহক রয়েছেন দুই লাখ ১৬ হাজার ৭২৮। এখন পর্যন্ত প্রথম ডোজ টিকা দিয়েছেন দুই লাখ ২৯ হাজার ৯১০ জন আর ২য় ডোজ সম্পন্ন করেছেন এক লাখ ২৯ হাজার ৬৭জন।
(ঊষার আলো-আরএম)
