দৌলতপুরে ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত

সর্বশেষ আপডেটঃ
28
0
ছবি : সরেজমিনে পরিদর্শন ও ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় করেন ডিপুটি পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোল্লা জাহাঙ্গীর হোসেন।

ঊষার আলো প্রতিবেদক : খুলনা মহানগরীতে গ্রীন সিটি, ক্লিন সিটিতে তৈরির লক্ষ্যে কেসিসি’র নব উদ্যোগের শেষ নেই। এই ধারাবাহিকতায় (৫ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় নগরীর দৌলতপুর শামিম হোটেল সংলগ্ন হতে দৌলতপুর বটতলা সম্মুখ পর্যন্ত দখলে থাকা ফুটপাতের মৌসুমী ফল ব্যবসায়ীদের অন্যত্র স্থানন্তরিত এবং সরেজমিনে ফুটপাত পরিদর্শন সহ ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। পুলিশ কমিশনারের নির্দেশক্রমে সরেজমিনে পরিদর্শন ও ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় করেন ডিপুটি পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোল্লা জাহাঙ্গীর হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও আ’লীগ নেতা শেখ মোহাম্মদ আলী, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোঃ সাহাবুদ্দিন, সহকারী পুলিশ কমিশনার (দৌলতপুর জোন) অমিত কুমার বর্মন, দৌলতপুর থানা অফিসার ইনচার্জ হাসান আল মামুন, সেকেন্ড অফিসার মোঃ কামরুজ্জামান, ট্রেট পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ মোঃ মনিরুজ্জামান মিলন, দৌলতপুর বাজার উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি শেখ কামাল, সহ-সভাপতি আসাদ বন্দ, সাঃ সম্পাদক মোঃ নান্নু মোড়ল, সাংগঠনিক সম্পাদক এম.এম জসিম, সাংবাদিক রুহুল আমীন, মোঃ আশিকুর রহমান, দৌলতপুর খুচরা কাঁচা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোঃ পলাশ শেখ, মহিউদ্দিন রাজুসহ মৌসুমী ফল ব্যবসায়ীবৃন্দ। ডিসি জানান, কোন অবস্থাতেই ফুটপাতের উপর বসে ব্যবসা করা যাবে না। যানজট নিরাসন ও জলাবদ্ধতার দূরকরনে মেয়র মহোদ্বয়ের সহ পুলিশ কমিশনারের নির্দেশ। যে কারনে স্থায়ী ভাবে অন্যত্র কোথাও ব্যবসায়ীদের স্থানন্তরিত হওয়ার পরামর্শ দেন এ কর্মকর্তা। এ সময় ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, খুলনায় উন্নয়নের জোয়ার বইতে শুরু করেছে। বর্তমানে ব্যবসায়ীরা যেখানে বসে ব্যবসা করছে খুবই শীঘ্রই জলাবদ্ধতা নিরসনে কেসিসি ড্রেন নির্মানের ট্রেডার দেবে। যা দৌলতপুর পুলিশ ফাঁড়ি হয়ে শামিম হোটেল সংলঘœ ঘুরে মুহসীন মোড় হয়ে ভৈরব নদে গিয়ে মিশবে। সুতরাং উন্নয়নের স্বার্থে এ সকল স্থান ছেড়ে ব্যবসায়ীদের অন্যত্র সরে যাওয়া ভালো। ব্যবসায়ীদের পক্ষে কথা বলেন, বাজার কমিটির সভাপতি ও সাঃ সম্পাদকসহ নেতৃবন্দ। তারা ঈদের এই বাকি কয়টা দিন বর্তমান অবস্থানে ব্যবসায়ীদের ব্যবসা করার জন্য অনুরোধ করেন। ঈদের পরে নতুন নির্ধারিত স্থান আজ্ঞুমান ঈদগায়ে ব্যবসায়ীরা চলে যাবে বলে জানান নেতৃবৃন্দ। অতঃপর পুলিশ কমিশনারকে বিষয়টি অবগত করলে তিনি ঈদের আগ মূহুর্ত পর্যন্ত ব্যবসার অনুমতি দেন তবে ঈদের পর অবশ্যই অন্যত্র স্থানন্তরিত হতে হবে বলে কঠোর হুশিয়ারী জানান।

(ঊষার আলো-আরএম)

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ