UsharAlo logo
, |

খুলনা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স

JAHANUR
মার্চ ১৮, ২০২৬ ১১:৫৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

খুলনা মহানগরীতে নারীদের খেলাধুলার জন্য পৃথক কোনো মাঠ নেই।নগরীর সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনালের পাশে অবস্থিত বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের মাঠে প্রশিক্ষণ ও খেলাধুলা করেন নারীরা।ছেলেদের স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের আন্তঃজেলা ফুটবল টুর্নামেন্ট,অনুশীলন,বিভিন্ন জাতীয় প্রতিযোগিতার আয়োজন হয় মাঠটি।এই খেলার মাঠটি এক মাসের জন্য ভাড়া দিয়েছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ।মেলা করতে গত ১৬ ডিসেম্বর থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত মাঠ বরাদ্দ পেয়েছে বাংলাদেশ উইভার্স প্রোডাক্টস অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন।এনিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর মেলার আয়োজন বন্ধ করে দেয় অন্তবর্তী সরকার।কিন্তু সরকার গঠনের পর গতকাল থেকে তারা আবার মেলার প্রস্তুতি শুরু করে।এ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ক্রীড়ানুরাগীরা।

ক্রীড়া সংগঠকরা জানান,বিভাগীয় ক্রীড়া কমপ্লেক্সের মাঠে শিশুদের অ্যাথলেট ক্যাম্প,ফুটবল ক্যাম্পসহ সারাবছর বিভিন্ন খেলাধুলার হয়।ঈদের পর অনেকগুলো খেলা রয়েছে।এই সময়ে মাঠটি বন্ধ করে দিলে সব ধরনের খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হবে মেয়েরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের মাঠটি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নিয়ন্ত্রণে।সম্প্রতি বাংলাদেশ উইভার্স প্রোডাক্টস অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে মেলার জন্য মাঠ ব্যবহারের অনুমতি চাওয়া হয়। তারা এক মাসের মাঠ ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে।এক মাসের জন্য মেলা হলেও মেলার প্রস্তুতির জন্য আগে ১৫ দিন এবং মালামাল সরানোর জন্য পরে ১৫ থেকে ২০ দিন পর্যন্ত মাঠ বন্ধ থাকে।সবমিলিয়ে একবার মেলা হলে দুই মাসে সেখানে খেলাধুলা বন্ধ রাখতে হয়।

খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন,আমার নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় সব ধরনের মেলা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছি।এই মাঠটি ক্রীড়া পরিষদের অধীনে।সেখানে মেলা হলে শিশুদের খেলাধুলা বন্ধ রাখতে হবে।বিষয়টি নিয়ে আমি ক্রীড়া পরিষদের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলবো।

খুলনা মেট্রোপলিটন উপ-কমিশনার তাজুল ইসলাম বলেন,শহরে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে।এই মুহূর্তে কাউকে মেলার আয়োজন করতে দেয়া হবে না।