খুলনায় বাজেট নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

সর্বশেষ আপডেটঃ

ঊষার আলো প্রতিবেদক : আগামী ২০২২-২৩ অর্থ বছরের ঘোষিত বাজেট নিয়ে খুলনায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন রাজনৈতিক দল ও ব্যবসায়িক নেতারা। গতকাল বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অঙ্কের ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করার পর এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা হয়। প্রস্তাবিত বাজেটের বৃহৎ আকার ও উন্নয়ন পরিকল্পনাকে এক পক্ষ স্বাগত জানালেও অপরপক্ষ তা বাস্তবায়নে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

বাজেটকে উন্নয়নমুখী ও ব্যবসাবান্ধব বলে মন্তব্য করে সাধুবাদ জানিয়েছেন খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল।
তিনি বলেন, ঘোষিত এ বাজেট শিল্প বাণিজ্যে সহায়ক হবে। দারিদ্র বিমোচনে ভূমিকা রাখবে। আমাদের মূল্যস্ফীতি কমবে। বাজেটে খুলনা অঞ্চলকে শিল্প অঞ্চলের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য শিল্প কলকারখানায় গ্যাস সংযোগ দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আমাদের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য বিশেষ করে পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর মোংলা, পায়রা, ভোমরা এবং বেনাপোল বন্দরের ওপর যে চাপ পড়বে সে দিক থেকে আমি মনে করি বাজেটে পদ্মা থেকে যে রেল লাইন আসছে সেটা খুলনাকে সংযুক্ত করে সাতক্ষীরা পর্যন্ত দেওয়া হোক। চূড়ান্ত বাজেটে খানজাহান আলী বিমানবন্দরের জন্য বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার জন্য দাবি জানান তিনি। তাহলে আমাদের এ অঞ্চল পদ্মা সেতুর পুরোপুরি সুফল পাবে।

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শ্যামল সিংহ রায় বলেন, ঘোষিত বাজেট বাংলাদেশের ইতিহাসে সব চেয়ে বড় বাজেট। কল্যাণমুখী এই বাজেটের মাধ্যমে দেশ আরো এক ধাপ এগিয়ে যাবে।

মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনা বলেন, এত বড় বাজেট সরকার বাস্তবায়ন করতে পারবে কিনা সন্দেহ। দেশের অর্থনীতির অবস্থা ভালো নয়; ব্যাংকে টাকা নেই এসময় এত বড় বাজেট কল্পনার ফানুস ছাড়া কিছু না। প্রস্তাবিত বাজেট জনগণের স্বার্থে নয়।

ঘোষিত বাজেটকে গরিব মারার বাজেট হিসেবে আখ্যায়িত করে খুলনা মহানগর সিপিবির সভাপতি মিজানুর রহমান বাবু বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে নিরণœ মানুষের কোনো উপকার হবে না।