বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে এদেশ অনেক আগেই সোনার বাংলা হতো : শেখ হারুন

সর্বশেষ আপডেটঃ

মোঃ আব্দুল আজিজ, পাইকগাছা, খুলনা : খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মুক্তিযোদ্ধা শেখ হারুনুর রশিদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে এদেশ অনেক আগেই স্বপ্নের সোনার বাংলায় পরিণত হতো। যারা সেদিন দেশের স্বাধীনতা চাইনি তারা কখনো এদেশের উন্নয়নও চাইনি। এদেশ কখনো যাতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারে এবং আওয়ামী লীগের নাম মুছে দিতে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ৭৫’র ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতকরা সেদিন স্বপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। ঘাতকরা সেদিন শিশু রাসেল ও নারীদেরকেও ছাড় দেয়নি। এ হত্যার যাতে বিচার না হয় এ জন্য খুনি মোস্তাকরা সেদিন ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেছিল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে সেদিন দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিলেও বঙ্গবন্ধুর যোগ্য উত্তরসূরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদেশের মানুষকে সাথে নিয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করার পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়ন করছে। বিশে^র কোন দেশ এখন আর আমাদের সাধারণভাবে দেখে না।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর আহবায়ক শেখ কামরুল হাসান টিপু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক এমপি এ্যাডঃ সোহরাব আলী সানা, বর্তমান সংসদ সদস্য  আক্তারুজ্জামান বাবু।

সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় থাকায় ইতোমধ্যে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা লাভ সম্ভব হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হারুন বলেন, পদ্মা সেতু করার সময় অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছিল। কিন্তু সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর বাস্তবায়ন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেখিয়ে দিয়েছেন দেশ প্রেম ও ইচ্ছে শক্তি থাকলে দেশের কোন উন্নয়ন বাঁধাগ্রস্থ করা যায় না। দেশের চলমান এ উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে হলে আওয়ামী লীগ সহ দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বর্তমান সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, স্বাধীনতা বিরোধীদের ষড়যন্ত্র এখনো অব্যাহত রয়েছে। এ জন্য আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ থেকে আওয়ামী লীগ এবং সকল সহযোগী সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। শেখ হাসিনা যাকে নৌকা দিবেন সবাইকে তার পক্ষে কাজ করতে হবে। তিনি মঙ্গলবার দুপুরে পাইকগাছা পৌরসভা আওয়ামী লীগ আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর ৪৭তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বিএএম সালাম, যুগ্ম-সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শরফুদ্দীন বিশ^াস বাচ্চু, শেখ কামরুজ্জামান জামাল, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার প্রেম কুমার মন্ডল, উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার ইকবাল মন্টু, মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, শেখ আনিছুর রহমান মুক্ত। আওয়ামী লীগনেতা হেমেশ চন্দ্র মন্ডলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, জেলা যুবলীগনেতা জামিল খান, সরদার জাকির হোসেন, জলিল তালুকদার, পাপিয়া সরোয়ার শিউলী, জয়ন্তী রানী সরদার, বিধান চন্দ্র রায়, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রশিদুজ্জামান, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পারভেজ হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু, ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান গাজী, আওয়ামী লীগনেতা আনন্দ মোহন বিশ^াস, সহকারী অধ্যাপক ময়নুল ইসলাম, আরশাদ আলী বিশ^াস, বিজন বিহারী সরকার, শেখ আব্দুর রশিদ, রুহুল আমিন বিশ^াস, জেলা ছাত্রলীগনেতা তানভীর রহমান আকাশ, কাউন্সিলর কবিতা রানী দাশ, যুবনেত্রী সুমাইয়া আক্তার লতা, জুলি শেখ, যুবলীগনেতা জগদীশ চন্দ্র রায়, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পার্থপ্রতীম চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক ফাইমিন সরদার ও আবির আকাশ। দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাওঃ রইসুল ইসলাম।