সরকারি আযম খান কর্মাস কলেজ অভ্যন্তরে ক্যান্টিন চালুর দাবি

সর্বশেষ আপডেটঃ

ঊষার আলো ডেস্ক : খুলনার সরকারি আযম খান কমার্স কলেজের অভ্যন্তরে ক্যান্টিন স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের তরুণ রাজনীতিবিদরা।

বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) যৌথ উদ্যোগে  খুলনা প্রেস ক্লাবের হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের ২০ তম ক্লাসের ফেলোর সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আযম খান সরকারি কমার্স কলেজ বিশেষায়িত কমার্স কলেজ।  কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক, তিন বছরের বিবিএস (ডিগ্রি) এবং হিসাব বিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, ফাইন্যান্স ও ব্যাংকিং এবং মার্কেটিং বিষয়ে চার বছরের বিবিএ/অনার্স কোর্স চালু আছে। পাশাপাশি ২ বছরের মাস্টর্স কোর্সও চালু আছে । প্রায় ১২০০০ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশুনা করে আমাদের কলেজে। কিন্তু, কলেজের ভিতরে কোন ক্যান্টিন না থাকায় সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। কলেজ ক্যাম্পাসে ক্যান্টিন না থাকার কারণে শিক্ষার্থীদের  খাবার কেনার জন্য সবসময় কলেজের বাইরে যেতে হয়। এছাড়া কলেজের বাহিরে খাবার দোকানগুলোতে অতিরিক্ত দামের ফলে অধিকাংশ সময় শিক্ষার্থীদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে  থাকে। পাশাপাশি এ খাবারগুলো স্বাস্থ্যসম্মত না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ঝুঁকি থাকার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। যার ফলে শিক্ষার্থীরা নানা রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

তারা জানান, গত ২১ জুলাই ২০২২ তারিখে কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর একটি লিখিত আবেদন করেছি। লিখিত আবেদনে কলেজের প্রায় ৪০০ জনের বেশি সাধারণ শিক্ষার্থীর স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছি। সকলেই কলেজের ভিতরে ক্যান্টিন স্থাপনের স্থায়ী সমাধান চায়।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা।

তিনি বলেন,  ছাত্রদল- ছাত্রলীগ একত্র হয়ে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের সমস্যা লাঘবে যে একত্র হয়ে কাজ করছে এটা আমাদের অনুপ্রানিত করেছে, এটি ছাত্র রাজনীতির একটি মাইলফলক হিসাবে থাকবে। কমার্স কলেজের একজন প্রাক্তন ছাত্র হিসাবে আমি এই যৌক্তিক দাবির সাথে একাত্ততা ঘোষণা করছি। কলেজ কতৃপক্ষ যাতে দ্রুত পদক্ষেপ নেই সেই আহ্বান জানাচ্ছি বলেন।

আয়োজকবৃন্দ এক লিখিত বক্তব্যে জানান, আপনারা জেনে থাকবেন, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের ইয়ং লিডারস ফেলোশিপ প্রোগ্রামটি সারা দেশ থেকে আসা তরুণ রাজনীতিরা রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, নেতৃত্ব দক্ষতা, দ্বন্দ্ব নিরসন, এবং দল সুসংগঠিতকরণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশিক্ষণ সফলতার সাথে সম্পন্ন করে।  সেই সাথে তরুণ নেতারা  তৃণমূলে বহুদলীয় উদ্যোগে স্থানীয় সমস্যা সমাধানে এডভোকেসি কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এই ফেলোশিপ কর্মসূচি তরুণ রাজনীতিবিদদের  আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে সহায়তা করে এবং রাজনৈতিক নীতিনির্ধারক পর্যায়ে তাঁদের কণ্ঠস্বর পৌঁছানোর একটা প্লাটফর্ম তৈরি করে দেয়। সারা দেশ জুড়ে গঠনমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতি চর্চায় এই ফেলোশিপ প্রোগ্রামের তরুণ রাজনীতিবিদরা গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছেন। যৌথ উদ্যোগে অ্যাডভোকেসি কাজের অংশ হিসেবে আযম খান সরকারি কমার্স কলেজের ভিতরে ক্যান্টিন স্থাপনের দাবিতে আমাদের আজকের এই সংবাদ সম্মেলন।