খুলনায় জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা, উপচে পড়া ভীড়

সর্বশেষ আপডেটঃ
23
0
ছবি : মহানগরীর বিপনীগুলোতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। চোখে মিলছে নজর কাড়া ভীড়।

ঊষার আলো প্রতিবেদক : ঈদ নিকটবর্তী। আর কয়েকদিন পরেই মুসলিম উম্মেহার সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদ। একমাস সিয়াম সাধনার পর সকলে পরিবার পরিজন নিয়ে নতুন পোশাকে ঈদের বাড়তি আনন্দ উপভোগ করবে। যে কারনে সকল পেশা আর শ্রেনীর মানুষের কাছে এখন কেনাকাটা করা অত্যন্ত জরুরী বিষয়। যদিও দেশে বৈশ্বিক মহামারি করোনার দ্বিতীয় প্রকোপ বিদ্যামান। তাই এ প্রকোপ হ্রাসের জন্য সরকার লকডাউন ঘোষনা করেছে। যদিও লকডাউন, তবুও সরকার ব্যবসায়ী আর সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের কেনাকাটা করার জন্য সময় নির্ধারন করে দিয়েছে।
ঈদে বাড়তি কেনাবেচার জন্য মহানগরীর প্রতিটি বিপনীকেন্দ্র সেজেছে বর্নীল সাজে। বিপনগুলোতে সাজানো হয়েছে সারি সারি সকল বয়সের ক্রেতাদের আধুনিক ডিজাইন আর বাহারী রঙ বেরঙের পোশাক, জুতা-সেন্ডেল আর প্রসাধনীর দোকানে শোভা পেয়েছে নামি-দাবি কোম্পানীর প্রসাধনীতে। পিছিয়ে নেই ব্যাগ, ব্যাল্ট বা ঘড়ি-চশমার বিক্রেতারাও। ক্রেতাদের বাড়তি চাপ সামলাতে মালিকেরা নিয়োগ করেছেন বাড়তি কর্মচারীদের। পোশাক ব্যবসায়ী নতুন করে মুনাফা খাটিয়েছে বাড়তি মুনাফা লাভের আশায়। তারা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও মাস্ক, সামাজিক দূরত্ব মেনে ঈদ মুখে ব্যবসা করবে।
সরেজমিনে, নিজ মার্কেট, খুলনা রেলওয়ে মার্কেট, বড় বাজার, শপিং কমপ্লেক্স, জলিল টাওয়ার, আড়ং, সেইভ এন্ড সেইফ দৌলতপুর মোর্ত্তজা ম্যানশন, আশা বস্ত্রালয়, সেইভ মের্সাস সংসার, স¤্রাট সু, ওয়েলকাম সুবাটা সু, খালিশপুর সুপার মার্কেট, ফুলবাড়ীগেট বাজার, শিরোমনি কেডিএ মার্কেট, শিরোমনি বাজার, বৈশাখী মার্কেট, ফুলতলা বাজার বনিক সমিতি মার্কেট সহ মহানগরীর সকল আধুনিক বিপনন কেন্দ্রগুলোতে রবিবার (০২, মে) সকাল ১০ টার পর হতে ক্রেতাদের সমাগম দেখা যায়। বেলা যত বাড়তে থাকে বাজারে তত ঈদ মুখো মানুষের ভীড় বাড়তে দেখা যায়। তরুন-তরুনী, মহিলা, পুরুষ, শিশু সহ প্রায় সকল বয়সের মানুষই সাপ্তাহিক এই ছুটির দিনে বাজারে এসেছে ঈদের কেনাকাটার জন্য।
রাজাপুর হতে আসা ক্রেতা সোনিয়া বলেন, আর কয়েকদিন পরই ঈদ। দিন যত যাবে ততই বাজারে ভীড় বাড়বে। তাই আগে ভাগেই কেনাকাটা করতে এলাম। করোনার কারণে আর ঈদ পড়ে থাকবেনা। নিজের জন্য না পরিবারের সকলের জন্য কেনাকাটা করতেই হবে।
টুটপাড়া খালপাড়ার বাসিন্দা নুরে আয়শা নিউ মার্কেটে এসেছেন স্ব-পরিবারে সদস্যদের নিয়ে কেনাকাটা করার জন্য। তিনি বলেন, করোনার ভয়ে বাসা থেকে কেনাকাটার জন্য আসতে চাইনি। তবে বাচ্চাদের তো আর মন মানে না। তাই আগে ভাগেই এলাম ঈদের কেনাকাটার জন্য। ঈদমুখে আর বাজারে আসবো না। কারণ ঈদের আগে প্রচুর ভীড় বাড়বে।
প্রবীর কথের মালিক পরিতোষ সাহা বলেন, ঈদের জন্য আমার প্রতিষ্ঠানে বাহারী আর আধুনিক ডিজাইনের শাড়ি, থ্রি-পিচ উঠানো হয়েছে। তবে লকডাউন চললেও ক্রেতা সাড়া ভালো। আমরা ব্যবসীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেনাবেচা করছি।
ডাকবাংলার স¤্রাট বাজারের ম্যানেজার জানান, আমাদের প্রতিষ্ঠানে হরেক ডিজাইনের সব বয়সের জুতা-সেন্ডেল উঠিয়েছি। আস্তে আস্তে কেনাবেচার চাপ বাড়ছে। ঈদের আগ মুহুর্তে এমন কেনাবেচার সাড়া মিললে, পিছনের অনেকটাই লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারবো।
আইন-শৃঙখলার বিষয়ে ওসি (তদন্ত) মোঃ আমিনুল ইসলাম মিন্টু বলেন, যেতেহু ঈদের সময়ে বাজারে কেনাকাটার চাপ থাকে। তাই যেন দৌলতপুর ঈদ বাজারে যেন আইন-শৃঙখলার কোন অবনতি না ঘটে তার জন্য বাড়তি পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।

(ঊষার আলো-আরএম)

+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0
+1
0

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ