ঊষার আলো ডেস্ক : উপকূলে খাওয়ার পানির অভাবে দিন কাটাচ্ছে কোটি মানুষ। মিঠা পানির অভাবে গৃহপালিত পশু লালন-পালনও ছেড়ে দিচ্ছেন উপকূলবাসী। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণে সরকারি পর্যায়ে বৃহৎ ব্যবস্থা ও ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। সে ক্ষেত্রে এলাকাভিত্তিক বড় বড় পুকুর, খাল, জলাশয় খনন করে তাতে বৃষ্টির পানি ধরে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। পুকুর ও ড্রামে পানি থাকার মধ্যে পার্থক্য আছে। পুকুরে পানি থাকলে গাছপালা, জীবজন্তু সেখান থেকে পানি পায়। কিন্তু ড্রামে সে সুযোগ নেই। পানির সমস্যার জন্য বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিতে হবে। বিশেষ করে, খাসজমিতে মিঠা পানির আধার তৈরি করতে হবে। খালগুলো ইজারামুক্ত করে জোয়ার -ভাটা আধার তৈরী করতে হবে।
বেসরকারি সংগঠন জনউদ্যোগ,খুলনার আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। সোমবার বিকাল সাড়ে ৪ ঘটিকায় জনউদ্যোগ,খুলনার আয়োজনে ‘উপকূলীয় অঞ্চলে সুপেয় পানির সংকট : বর্তমান করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জনউদ্যোগ,খুলনার সদস্য সচিব সাংবাদিক মহেন্দ্রনাথ সেন। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসির সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহাবুবুর রহমান খোকন, খুলনা উন্নয়ন ফোরামের কো – চেয়ারম্যান ডাঃ মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু, ভাসানী অনুসারী পরিষদের ভাইস- চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল হালিম, খুলনা বিভাগীয় মটর ম্যাকানিক সমিতির সভাপতি শেখ আইনুল হক, দীপ্ত টেলিভিশনের বিভাগীয় প্রতিনিধি ও জনউদ্যোগ,খুলনার সদস্য ইয়াসীন আরাফাত রুমী, সাংবাদিক মোরশেদ নেওয়াজ শিপলু ও জনউদ্যোগ যুব সেলের আহবায়ক রিপন কুমার বিশ্বাস প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, আসন্ন রমজানে মহানগরীতে যেন পানির সংকট না হয় তারদিকে খুলনা ওয়াসা খেয়াল রাখতে হবে। ওয়াসাকে দুর্নীতিমুক্ত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
