খুলনা মহানগরীতে মশার প্রজনন ও ডেঙ্গু–চিকনগুনিয়ার সংক্রমণ রোধে কেসিসি বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। গৃহীত কর্মসূচির সফল বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে মশক নিধনকর্মে নিয়োজিত শ্রমিকদের জরুরি নির্দেশনা প্রদানের লক্ষ্যে বুধবার বিকেলে নগর ভবনের শহীদ আলতাফ মিলনায়তনে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শরীফ আসিফ রহমান।
সভায় জানানো হয়, শীত মৌসুমের পূর্বে মশার প্রজনন প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেসিসি’র কঞ্জারভেন্সী বিভাগ বিশেষ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। কর্মসূচির আওতায় স্প্রেম্যানদের নিজ নিজ ওয়ার্ড এলাকায় সকালে চার ঘণ্টা হ্যান্ড স্প্রে ও বিকেলে চার ঘণ্টা ফগার মেশিনের মাধ্যমে উড়ন্ত মশা নিধনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করতে আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডের ড্রেন ও সড়ক সম্পূর্ণ পরিষ্কার করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সভায় কেসিসি’র পাশাপাশি নগরবাসিকেও নিজ নিজ বাড়ির আঙ্গিনা ও বদ্ধ জলাশয় পরিচ্ছন্ন রাখার অনুরোধ জানানো হয়।
সভায় প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কোহিনুর জাহান, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমান ও মো. অহিদুজ্জামান খান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশীদসহ সহকারী কঞ্জারভেন্সী অফিসার, ওয়ার্ড সুপারভাইজার, স্প্রেম্যান ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
কেসিসি জানায়, নগরবাসীর সহযোগিতা ছাড়া ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ সম্ভব নয়। তাই সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে সকলকে এ কর্মসূচির অংশীদার হতে আহ্বান জানানো হয়।
ঊআ-মোহন চৌধুরী
