UsharAlo logo
, |
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খুলনা-যশোর মহাসড়কের ফুটপাতে কাঠ-লকের ব্যবসা !

koushikkln
মার্চ ৯, ২০২২ ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ঊষার আলো প্রতিবেদক : নগরীর খুলনা-যশোর মহাসড়কের দৌলতপুর রেলস্টেশনের সামনে হতে রেলিগেট, মানিকতলাস্থ খুলনা-যশোর মহাসড়কের দু’পাশ জুড়ে কাঠ ব্যবসায়ী ও স-মিলের (করাতকল) মালিকেরা সম্পূর্ন দখল করে রেখেছে। সড়ক বিভাগের নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে বছরের পর বছর সড়কের পাশের জায়গা দখল করে দিদারছে ব্যবসা করে যাচ্ছে তারা। সড়কের সাথে গাছের লক রাখার দরুন সড়ক দিয়ে চলাচলরত বাস, ট্রাকসহ মাঝারী, ছোট বড় যান চলাচলের সময় ওভারট্রেকিং করার কারণে অনেক সময় এ যানবহনগুলো চাপ খেয়ে ফুটপথে নেমে যাওয়ার দরুন দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে। যদি কয়েক মাস আগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এই সকল করাত কলে অভিযান পরিচালনা করে অর্থদন্ড করে, তারপরও বন্ধ হয়নি এই সকল ব্যবসায়ীদের দখলদারিত্ব।

খুলনা সড়ক বিভাগ পাওয়া সূত্রে, মহাসড়কের পাশে রাখা গাছের লকগুলো সড়িয়ে নেওয়ার জন্য লিখিত নোটিশ করলেও অপসারণের ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি অবৈধ দখলদাররা। বরং সড়ক বিভাগের জায়গা ও ফুটপাত দখল করে চালিয়ে যাচ্ছে  ব্যবসা।
পথচারী শহিদুল বলেন, ফুতপাত দখল করে দীর্ঘদিন করাত মিলের মালিকারে ব্যবসা করে চলেছে। এমনভাবে ফুটপাত দখল করে রেখেছে যে ফুটপাত উধাও। মহাসড়কের পাশের পাশের জায়গায় বিপজ্জনকভাবে বড় বড় গাছের লক ও কাঠ রেখে ব্যবসা করছে একশ্রেনীর ব্যবসায়ীসহ স-মিল মালিকেরা। এতে যে কোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটে যানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। তাই সড়ক বিভাগের নির্দেশ অনুসারে দ্রুতই এই ঝুঁকিপূর্ণ গাছের কাঠ বা লক অপসারণ করা দাবি জানাচ্ছি।
মাহেন্দ্রা চালক সবুর জানান, ইচ্ছাস্বাধীন এলোমেলো অবস্থায় এ রকম গুরুত্বপুর্ন সড়কের পাশে এখানে-সেখানে বিপজ্জনকভাবে বড় বড় গাছের লক ও গাছ রাখা হয়েছে। এতে এ সড়কে চলাচলকারী মানুষ ও যানবাহন বিশাল ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। আমরা নিরাপদ চলাচলের জন্য এ গাছ গুলো লক সরিয়ে নেওয়ার আবেদন করছি।
এ ব্যাপারে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কেসিসি’র ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ্ব মাস্টার আব্দুস সালাম বলেন, খুলনা যশোর মহাসড়কের পাশে সড়ক বিভাগের জায়গা তথা ফুটপথ দখল করে গাছের বা কাঠের ব্যবসা করে আসছে যে সকল ব্যবসায়ীরা, আমি একাধিক এ প্রতিষ্ঠান গুলো মৌখিকভাবে গাছের লক ও গাছের কাঠ সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলাম। তা কেউ পালন করেনি।

খুলনা সড়ক বিভাগের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, মহাসড়ক পাশে যারা অবৈধ দখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে, তাদের একাধিক বার আমরা নোটিশ করেছি। পাশাপাশি সড়কের পাশে ফুটপাতের উপর যে সকল স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে সেই সকল প্রতিষ্ঠানের মালিকগনকে একাধীক বার মহাসড়কের পাশে রাখা গাছের লকগুলো সড়িয়ে নেওয়ার জন্য লিখিত নোটিশ করলে ও সড়ক দখল করে অবৈধভাবে ব্যবসা করা মালিকেরা প্রতিষ্ঠান অপসারণ করেনি। তিনি আরো জানান, ইতিমধ্যেই সড়ক বিভাগ মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা পেয়েছে সীমানা নির্ধারনের এবং সেনুসারে সকল প্রস্তুতি চলছে। ইতিমধ্যেই সড়ক বিভাগ হতে ডিসি, কেডিএ চেয়্যারম্যান ও কেসিসি’র এস্টেট অফিসার দাপ্তরিক ভাবে জানানো হয়েছে এবং ইতিমধ্যে আমাদের সীমান আমরা নির্দিষ্ট করেছি। এরপর আমাদের জায়গা খালির জন্য মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।