UsharAlo logo
, |

গণরায় উপেক্ষার পরিণতি কখনোই ভালো হয় না: ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমীর

ঊষার আলো ডেক্স
জুলাই ২৫, ২০২৬ ৮:১৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমীর হাফেজ মাওলানা অধ্যক্ষ আব্দুল আউয়াল, খলিফা, পীর সাহেব চরমোনাই (রহ.) বলেছেন, গণরায়কে উপেক্ষা করার পরিণতি কখনোই ভালো হয় না। ইতিহাস সাক্ষী, জনগণের রায় অগ্রাহ্য করলে তার নেতিবাচক ফল ভোগ করতেই হয়।

শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেল ৩টায় নগরীর গ্র্যান্ড দরবার পার্টি সেন্টারে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগরের মজলিসে শুরার অধিবেশন ও নগর সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল গণরায়কে অবজ্ঞা করার কারণে। একইভাবে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের ভিত্তিও নির্মিত হয়েছে জনগণের রায় উপেক্ষা করার ফলেই। তাই সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। আইনি জটিলতা, রাজনৈতিক স্বার্থ কিংবা কথার ফুলঝুরি দিয়ে জনগণের রায়কে উপেক্ষা করা উচিত হবে না।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগরের সভাপতি আলহাজ্ব মুফতি আমানুল্লাহর সভাপতিত্বে এবং নগর সেক্রেটারি মুফতি ইমরান হুসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন দলের যুগ্ম মহাসচিব হাফেজ মাওলানা অধ্যক্ষ শেখ ফজলে বারী মাসউদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক মুফতি আহমদ আবদুল জলিল ও প্রভাষক মাওলানা আব্দুল্লাহ ইমরান।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে শেখ ফজলে বারী মাসউদ বলেন, জুলাই সনদে বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করেছিল। পরবর্তীতে সেই সনদের ভিত্তিতে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ জারি করে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের আগে বিএনপি গণভোটের বিরোধিতা করেনি; বরং বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিলেন।

তিনি বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, রাজনীতিতে অসততা ও শঠতার আশ্রয় নেওয়া উচিত নয়। গণরায়কে সম্মান জানিয়ে নির্বাচনের আগে যে রাজনৈতিক অবস্থান নেওয়া হয়েছিল, তাতে অটল থাকতে হবে। গণভোটের রায় বাস্তবায়িত হলে ব্যক্তি, দল ও রাষ্ট্র—সকলেই উপকৃত হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি শেখ মো. নাসির উদ্দিন, আলহাজ্ব আবু তাহের, হাফেজ আব্দুল লতিফ, জয়েন্ট সেক্রেটারি মাওলানা দ্বীন ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি মো. ইমরান হোসেন মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, দপ্তর সম্পাদক মাওলানা ইকবাল মাহমুদ, অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতি ইসহাক ফরীদি, ছাত্র ও যুববিষয়ক সম্পাদক গাজী ফেরদাউস সুমন, শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক মো. মঈন উদ্দিন ভূঁইয়া, আইন ও মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন, কৃষি ও শ্রমবিষয়ক সম্পাদক মোল্লা রবিউল ইসলাম তুষার, মহিলা ও পরিবারকল্যাণ সম্পাদক কারী মো. জামাল উদ্দিন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাওলানা নাসিম উদ্দিন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা জিএম কিবরিয়া, সংখ্যালঘুবিষয়ক সম্পাদক বন্দ সরোয়ার হোসেন, শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব মো. বাদশা খান, স্বাস্থ্য ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব মারুফ হোসেনসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতৃবৃন্দ।