ঊষার আলো রিপোর্ট : টাঙ্গাইলে বাবার পরকীয়ার জেরে প্রাণ গেল ২ সন্তানের। ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে কথিত প্রেমিকা। তবে ময়নাতদন্তের পর জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি স্বজন ও এলাকাবাসীর।
২২ মে শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ২ সন্তানের মৃত্যুতে পাগলপ্রায় মা ফাতেমা বেগম। মর্মান্তিক এ ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
স্থানীয়রা বলেছেন, ২১ মে শুক্রবার সকালে মেয়ে আবিদা ও ছেলে রিফাতকে সঙ্গে নিয়ে ভাড়াটিয়া ও কথিত প্রেমিকা রেনু বেগমের গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার বাঘিল এলাকায় এক বিয়ের দাওয়াতে যান আদম আলী। পরে ছেলেমেয়েকে রেখে বাড়ি ফেরে। শনিবার দুপুরে রেনু বেগমের বাড়ির পাশের একটি পুকুরে আবিদা ও রিফাতের মৃতদেহ ভেসে ওঠে। খবর পেয়ে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। এরপর থেকেই রেনুর কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না।
জড়িতদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ এলাকাবাসীরা।
ময়নাতদন্তের পর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে টাঙ্গাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর মোশারফ হোসেন।
এলাকাবাসী বলছে, টাঙ্গাইল শহরের পৌর এলাকার আদম আলীর সঙ্গে ভাড়াটিয়া রেনু বেগমের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠেন। এ নিয়ে দাম্পত্য কলহের জেরে ২’মাস আগে মারধর করে স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেন আদম আলী। পেশায় সয়েল টেস্টের বোরিং মিস্ত্রি আদম আলী।
(ঊষার আলো- এম.এইচ)
