UsharAlo logo
, |

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্ন পরিবেশের বিকল্প নেই : কেসিসি প্রশাসক

Mohon Chowdhury
সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬ ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, ডেঙ্গু সংক্রমণ প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নগরীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে নগরীর ড্রেন ও নর্দমা পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে নগরীর মিস্ত্রিপাড়া খালপাড় রোডে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মিস্ত্রিপাড়া খালপাড় বাড়িওয়ালা কল্যাণ সমিতি এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

প্রশাসক বলেন, বিদ্যমান জনবলের পাশাপাশি প্রতিটি ওয়ার্ডে অতিরিক্ত পাঁচজন কর্মী নিয়োগ দিয়ে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। তারা ফগার মেশিনের মাধ্যমে উড়ন্ত মশা নিধন এবং সম্ভাব্য প্রজননস্থলে স্প্রে করে এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসে কাজ করছেন।

তিনি আরও বলেন, ওয়ার্ডভিত্তিক এ ধরনের কর্মসূচি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নিজ নিজ বাড়ি, আঙিনা ও প্রতিষ্ঠানের আশপাশ পরিষ্কার রাখার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে। ডেঙ্গুমুক্ত নগরী গড়ে তুলতে নাগরিকদের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, কনজারভেন্সি অফিসার মো. অহিদুজ্জামান খান, ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অমিত কান্তি ঘোষ, কেসিসির সাবেক কাউন্সিলর মাজেদা খাতুন, সমাজসেবক মাহবুব উল্লাহ শামীম, মেশকাত আলী, রবিউল ইসলাম রবি, মোহাম্মদ আলী এবং মিস্ত্রিপাড়া খালপাড় বাড়িওয়ালা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম কিবরিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু নগরীর ২৯ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে স্বল্প আয়ের পরিবারের মধ্যে মশারি বিতরণ করেন। খুলনা শহর এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের আওতায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের উদ্যোগে এ মশারি বিতরণ করা হয়।

এ সময় তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে ওয়ার্ল্ড ভিশনের এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়। মশারি বিতরণের পাশাপাশি সংস্থাটি নগরীতে বিভিন্ন মানবিক কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করছে। কেসিসির পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম তদারকি এবং সহযোগিতায় স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

কর্মসূচির আওতায় ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে ১৯০টি এবং ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে ২৬০টি পরিবারের মধ্যে মশারি বিতরণ করা হয়।

এ সময় কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, সাবেক কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দিন বনি, সমাজসেবক জাফরুল্লাহ খান সাচ্চু, চৌধুরী হাসানুর রশীদ মিরাজ, মেহেদী হাসান লিটন, ইউসুফ হারুন মজনু, মেজবাহ উদ্দিন মিজু, জহিরুল ইসলাম খান জুয়েল, আলম হাওলাদার, নূরুল ইসলাম লিটনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।