UsharAlo logo
, |

জ্যৈষ্ঠের গরমে হাহাকার , বৃষ্টির আশায় নগরবাসী

ঊষার আলো
মে ১৭, ২০২১ ৪:৫৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ঊষার আলো প্রতিবেদক : জ্যৈষ্ঠর এই আম-কাঠাল পাঁকা গরমে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে নগরবাসী। তীব্র তাপদাহ, কাঠফাটা রোদ আর অসহনীয় গরমে ঘরে বাইরে কোথাও যেন স্বস্তি মিলছে না কারো। সড়ক, চায়ের দোকান, বাজার-ঘাট সবখানে একই আওয়াজ কি গরম, কি গরম। সকলেই যেন তীব্র গরমের যন্ত্রনায় ছটফট করছে। রাস্তায় চলাচলে বা বাইরে বের হলে মনে হচ্ছে গায়ে বুঝি আগুন ঢেলে দিচ্ছে। টপ টপ করে ঘাম ঝড়ছে। ২/৩ দিনের তাপদাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে মানুষ। দিনে মাথার উপর সূর্যের প্রখর রোদের তাপ আর রাতের বেলায় ঘরের ভেতর ভ্যাপসা গরম। স্বস্তি মিলছে না কোথাও দিনে বা রাতে। দিনমুজুরসহ খেটে খাওয়া মানুষের শ্বাস তুলতে কষ্ট হচ্ছে। তীব্র গরমে তাদের অবস্থা বেহাল, তবু জীবন আর পেটের তাগিদে তীব্র গরম উপেক্ষা করে কাজ করতে হচ্ছে। একদিকে করোনার কারণে কর্মহীন, অন্যদিকে তীব্র গরম, এ যেন এক কথায় মরার পড়ে খড়ার ঘাঁ। তীব্র এ গরমে শিশুসহ প্রায় সকল বয়সের মানুষের ডায়রিয়া, কাশি, সর্দি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট ব্যাপক আকারে বেড়েছে। শিশু বিশেষজ্ঞরা হিমশিম খাচ্ছে রোগীর সেবা দিতে। এমন অস্বস্তিকর তীব্র তাপপ্রবাহ হতে সাময়িক মুক্তি পেতে কাঙ্খিত বৃষ্টি বা শীতল হাওয়ার ছোঁয়া পেতে সকল শ্রেনীর মানুষ আকাশের দিকে চেয়ে আছে।
বৈকালী বাজারের ব্যবসায়ী রমজান বলেন, গরমে কোথাও শান্তি মিলছে না। না দোকানে না বাড়িতে বা অন্য কোথাও। এতো গরম অনুভব করা কঠিন। দোকান বন্ধ করে বাড়ী যেতে বাধ্য হয়েছি। আর বিদ্যুৎ চলে গেলে তো কথাই নেই। রোদে গেলে মনে হচ্ছে গায়ে কে যেন আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। দৌলতপুর বাজারের সবজি বিক্রেতা মিঠু জানান, গরমে রেল লাইনের পাশে বসে সবজি বিক্রি করতে খুব অস্বস্তি লাগছে। তবে পরিবারে ভরন পোষনের জন্য গরম উপেক্ষা করে বসে কেনা বেচা করতে হচ্ছে।
এ ব্যাপারে খুলনা আঞ্চলিক আওহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আমিরুল আজাদ জানান, বর্তমানে খুলনায় মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। গতকাল সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭.৬ ডিগ্রী সেলসিয়াল। এমন গরম আরো ২/৩ থাকবে। আগামী ২ হতে ৩ দিন পর বৃষ্টির সম্ভাবণা রয়েছে, বৃষ্টি হলে এই তাপমাত্রা অনেকটা কমতে পারে। যেহেতু গরম কাল, জ্যৈষ্ঠমাস। এ মাসে এমনই গরম পরবে তবে মাঝে মাঝে বৃষ্টি হলে কিছুটা তাপমাত্রা কমবে এবং আগামী জুন মাস হতে বর্ষা শুরু হলে তাপমাত্রা কমে যাবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

(ঊষার আলো-আরএম)