নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ আদালতের বিচারক মো. শাহজাহান কবির নিষেধাজ্ঞা জারির এ নির্দেশ দেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই নিষেধাজ্ঞা দেন বলে জানান দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগ থাকায় নাজমুলের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন।
দুদকের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ জাফর সাদেক শিবলী আদালতে আবেদন করেন।
দুদকের আবেদনে বলা হয়, সিদ্দিকী নাজমুল আলমের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। নিজের ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে অবৈধ উপায়ে অর্থ জমা রেখে তা বৈধ করার চেষ্টা এবং বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগও অনুসন্ধান করছে সংস্থাটি।
দুদক আরও জানায়, অনুসন্ধান চলাকালে নাজমুল আলম দেশত্যাগ করে অন্য দেশে চলে যাওয়ার চেষ্টা করছেন এমন তথ্য বিশ্বস্ত সূত্রে পাওয়া গেছে। এ কারণে অনুসন্ধান কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সে জন্য অভিযোগের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা প্রয়োজন।
সিদ্দিকী নাজমুল আলম ২০১১ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন। তবে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, তিনি বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন।
ঊষার আলো-এসএ
