ঊষার আলো ডেস্ক : ইসরায়েলের সঙ্গে ১১ দিনের যুদ্ধে জরুরি বিধিনিষেধগুলো ভেঙে যাওয়ার পর করোনা মহামারির তৃতীয় ঢেউয়ের থাবায় পড়তে যাচ্ছে গাজা। ৩০ মে রোববার উপত্যকাটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এমন শঙ্কার কথা জানিয়েছে।
কর্মকর্তারা বলেছেন, যখন যুদ্ধ তীব্র রূপ নিয়েছে, তখন গাজাবাসী করোনার ঝুঁকির কথা পুরোপুরি ভুলেই গিয়েছিল।
১০ মে থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ২৭৯ ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে। যাদের মধ্যে ৬৯টি শিশু। এতে ১ হাজার ৯০০ ফিলিস্তিনি আহত ও কয়েক হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
১১ দিনের যুদ্ধ শেষে ২১ মে মিসরের মধ্যস্থতায় ২ পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়েছে।
হামাসচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল-কিদরা বলেন, সংঘাতের আগে মহমারি মোকাবিলায় জোর দেওয়া হয়েছিল, এখন আবার সেই পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি বলেছেন, লড়াইয়ের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি ও সুরক্ষা পদক্ষেপ মেনে চলতে পারেনি গাজাবাসী। যুদ্ধের আগে মহামারি কমে গিয়েছিল। কিন্তু এখন করোনার তৃতীয় ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা ও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ইউনিট পরিচালক রামি আল-আবাদলাও এমন শঙ্কা করছে। তিনি বলেছেন, হাজার হাজার ফিলিস্তিনি তাদের ঘরবাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়ে ভিড়ে ঠাসা বিভিন্ন স্থাপনায় গাদাগাদি করে থাকছে।
জাতিসংঘের রিলিফ অ্যান্ড ওয়ার্কস এজেন্সি ফর প্যালেস্টাইন রিফিউজিস (ইউএনআরডব্লিউএ) পরিচালিত বিভিন্ন বাড়ি ও স্কুলে ১ লাখের বেশি ফিলিস্তিনি আশ্রয় নিয়েছে।
নতুন করে কঠোর লকডাউন জারি করা কঠিন হবে বলেও মন্তব্য করেছেন রামি। তিনি আরও বলেছেন, কঠিন সময়ে ও বিপদের মধ্যে লোকজন খুব একটা বিধিনিষেধ অনুসরণ করতে চাইবে না।
(ঊষার আলো- এম.এইচ)
