ঊষার আলো ডেস্ক : ইউক্রেন ইস্যুতে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েই ফেংঘকে গতকাল বুধবার টেলিফোন করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইউক্রেনের বর্তমান পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনার জন্যই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।বিষয়টি এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে চীন। ওই বিবৃতিতে চীন জানিয়েছে, ইউক্রেন ইস্যুতে চীনকে না জড়ানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সমুদ্রে সামরিক উত্তেজনা না বাড়ানোর জন্যও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহ্বান জানিয়েছেন। ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা শুরুর পর থেকেই চীনের ওপর বাড়তি নজর রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর। এ জন্য চীনকে সব সময় চাপে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
চীন যেন রাশিয়াকে সাহায্য করতে না পারে, সেদিকে নজরও রাখা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর কথোপকথনের খবর পাওয়া গেল।চীন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তাইওয়ানকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে একত্রীকরণ এবং ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা এক বিষয় নয়। এই দুই বিষয়ের মধ্যে কোনো মিল নেই।
এদিকে রাশিয়া সফলভাবে সারমাট আন্ত মহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। ভ্লাদিমির পুতিন পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রটি নিয়ে গর্ব করে বলেছেন, এটি শত্রুদের দ্বিতীয়বার ভাবতে বাধ্য করবে।
চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রুশ হামলা শুরুর আগে একটি বৈঠকে, চীনা নেতা এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেছিলেন, তাদের দেশগুলোর মধ্যে বন্ধুত্বের ‘কোনো সীমা নেই’।
পরে মার্চ মাসে জো বাইডেন এবং শি চিনপিংয়ের কথোপকথনের পর এক বিবৃতিতে বেইজিং বলেছিল, ইউক্রেনে হামলা বৃদ্ধি ‘দেখতে চায় না’ তারা এবং চীন সব সময় শান্তির পক্ষে এবং যুদ্ধের বিরোধিতা করেছে।
ঊষার আলো-এসএ
