খুলনার মহেশ্বরপাশা খাদ্য বিভাগ ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সভাপতি মো. আরিফ হোসেনকে আটকের প্রতিবাদে খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকরা। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচির কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। একই সঙ্গে মহেশ্বরপাশা কেন্দ্রীয় খাদ্য গুদামের (সিএসডি) কার্যক্রমও অচল হয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার গভীর রাতে দৌলতপুর থানা পুলিশ ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সভাপতি মো. আরিফ হোসেনকে আটক করে। এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং তাঁর মুক্তির দাবিতে মঙ্গলবার সকাল থেকে খাদ্য বিভাগের শ্রমিকরা খুলনা-যশোর মহাসড়কে গাছের গুঁড়িতে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ শুরু করেন। এ সময় তাঁরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং সভাপতির মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত মহাসড়ক অবরোধ ও খাদ্য বিভাগের কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সকাল পৌনে ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন দৌলতপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইমাম হোসেন ও ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. বেলায়েত হোসেন। তাঁরা বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত আরিফ হোসেনের মুক্তির বিষয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এ সময় নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খুলনা আগমন উপলক্ষে সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ এড়াতে অবরোধ কর্মসূচি স্থগিতের আহ্বান জানান। তাঁদের আশ্বাস এবং দলীয় কর্মসূচির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে শ্রমিকরা আপাতত অবরোধ কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন।
পরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। তবে আটক ইউনিয়ন সভাপতির মুক্তির দাবিতে শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।
ঊআ-মোচৌ
