পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি : জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব শেখ ইউসুফ হারুন বলেছেন, বিজ্ঞানী পিসি রায় শুধু বাংলাদেশের গর্ব নয়, জগদ্বীখ্যাত এ বিজ্ঞানী ছিলেন রসায়ন শাস্ত্রের বিশ্বনন্দিত বিজ্ঞানী। তিনি একাধারে শিক্ষাবিদ, শিল্পপতি, রসায়নবিদ, সমবায় আন্দোলনের পুরধা, রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক ছিলেন। বিজ্ঞানীর পিতা হরিশ্চচন্দ্র রায় একজন শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি ছিলেন। তিনি ১৮৫০ সালে স্ত্রী ভূবন মোহিনীর নামে বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। যেটি বর্তমানে দেশের প্রথম বালিকা বিদ্যালয় হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। বিজ্ঞানী পিসি রায়ও বেঙ্গল কেমিক্যালসহ অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করেছেন। বিশ্ব বরেন্য এ বিজ্ঞানী ব্যক্তিগতভাবে একজন অসাম্প্রদায়িক চেতনার মানুষ ছিলেন। চির কুমার এ বিজ্ঞানী তার অর্জিত সকল অর্থ সম্পদ মানব কল্যানে দান করে সমাজ উন্নয়নে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তার জীবন আদর্শ বর্তমান প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। বিজ্ঞানীর জন্মস্থানকে ঘিরে পর্যটনের অনেক সম্ভাবনা রয়েছে উল্লেখ করে অত্র এলাকার কৃতি সন্তান শেখ ইউসুফ হারুন বলেন বিজ্ঞানীর বসতবাড়ি যাতে ধ্বংস হয়ে না যায় এজন্য সরকার প্রত্মতত্ত বিভাগের মাধ্যমে সংরক্ষনের ব্যবস্থা করেছে। বিজ্ঞানীর প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণসহ জন্মস্থানকে ঘিরে পর্যটন গড়ে তুলতে সরকারকে উদ্যোগ নেয়ার পাশাপাশি সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান সাবেক এ সিনিয়র সচিব।
তিনি স্ব-পরিবারে শুক্রবার (২৮ মে) সকালে বিজ্ঞানী পিসি রায়ের জন্মস্থান ও বসতবাড়ী পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী, সচিবের সহধর্মিনী রওনক আরা, সহকারি অধ্যাপক সেখ রুহুল কুদ্দুস ও পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ। উল্লেখ্য বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল¬চন্দ্র পিসি রায় ১৮৬১ সালের ২ আগষ্ট খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপোতাক্ষ তীরের রাড়ুলী গ্রামে জন্মগ্রহণ এবং ১৯৪৪ সালের ১৬ জুন পরলোক গমন করেন।
(ঊষার আলো-এমএনএস)
