UsharAlo logo
, |

ফুলতলায় ১৪টি ডায়াগস্টিকের ৯টিই অবৈধ

koushikkln
মে ২৮, ২০২২ ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ঊষার আলো প্রতিবেদক : ফুলতলায় ১৪টি ক্লিনিক ও ডায়াগস্টিক সেন্টারের মধ্যে ৯টিই অবৈধ। ব্যক্তিমালিকানাধীন এসব চিকিৎসাকেন্দ্র ও রোগ নির্ণয়কেন্দ্র বন্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়, ফুলতলার উপজেলার ১৪টি ক্লিনিক ও ডায়াগস্টিক সেন্টারের মধ্যে ৯টিই অবৈধ হওয়ায় শনিবার বিকালে বন্ধ ঘোষণা করে তালা লাগিয়ে দেয়া হয়েছে। এ গুলো হলো ফুলতলা বাজারের জামিরা সড়কের কাজী নুর হোসেনের মালিকাধীন আল-শেফা ডায়াগস্টিক, ইমরানুল ইসলাম রুমনের সেবা ডায়াগস্টিক, ডাঃ শফিউদ্দিন মোল্যার করিমুনেচ্ছা প্যাথলজি, শিকিরহাট সড়কের মোঃ ইরসাফিল হোসেনের স্কয়ার ডায়াগস্টিক, বেজেরডাঙ্গা বাজারের হাসানুজ্জামান মোড়লের মেডি ল্যাব প্যাথলজি, শিরোমনির ডাঃ কামাল হোসেনের দি গ্রেট হাসপাতালের প্যাথলজি বন্ধ এবং তালা লাগিয়ে দেয়া হয়। এছাড়া নতুনহাট এলাকার নিপুন চন্দ্রের মডার্ণ ডায়াগস্টিকে সীল করে দেয়া হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ জেসমিন আরার নেতৃত্বে অভিযানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের আরএমও ডাঃ হাসিবুর রহমান, স্যানিটারী ইন্সপেক্টর দেলোয়ার হোসেন, থানার এসআই নিরঞ্জন কুমার প্রমুখ।

গত বৃহস্পতিবার স্বাসথ্য অধিদদপ্তর ৭২ ঘন্টার (তিন দিন) মধ্যে সারা দেশের অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ দেয়। সেই নির্দেশনা খুলনা সিভিল সার্জন দপ্তরে পাওয়ার পর উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ বিভিন্ন বাজারে অভিযান পরিচালনা শুরু করেছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে অনিবন্ধিত বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করতে হবে। এছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন নবায়ন করেনি তাদের নিবন্ধন নাবায়ণ করার জন্য সময়সীমা বেঁধে দিতে হবে। সময়সীমার মধ্যে নবায়ণ না করলে ওই সব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। অপরদিকে যে সব প্রতিষ্ঠান নতুন নিবন্ধনের আবেদন করেছেন, তাদের নিবন্ধন দেওয়া কার্যক্রম দ্রুত শেষ করতে হবে। নিবন্ধন পাওয়ার আগে এসব প্রতিষ্ঠান কোনোভাবে কার্যক্রম চালাতে পারবে না।