ঊষার আলো রিপোর্ট : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাথার খুলি ও মগজবিহীন অবস্থায় ১ শিশুর জন্ম হয়েছে। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে সোমবার বিকেলে শিশুটি জন্ম হয়।
চিকিৎসরা জানিয়েছে, ফলিক এসিডের অভাবে অথবা প্রসূতি যদি নেশাগ্রস্ত থাকে, তাহলে এমন অদ্ভুত শিশুর জন্ম হয়। এ ধরনের শিশু সাধারণত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা বেঁচে থাকে। শিশুটিকে ঢাকায় নিতে বলা হয়েছে। শিশুটির মা সুস্থ রয়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জেলার নাসিরনগর উপজেলার গোয়ালনগর গ্রামের শহীদ মিয়ার মেয়ে তানজিনা বেগমের সঙ্গে একই উপলোর ভলাকুট গ্রামের সফিল উদ্দিনের ছেলে জসিম উদ্দিনের সাথে গত ২ বছর আগে তার বিয়ে হয়। গত বছর তিনি অন্তঃসত্ত্বা হন। সম্প্রতি আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে দেখা যায়, তার গর্ভে থাকা শিশুর শারীরিক অবস্থা ভালো নয় এবং মাথার খুলি থাকবে না। সোমবার বিকেলে প্রসব বেদনা উঠলে তানজিনাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে স্বজনরা। গাইনি বিভাগের চিকিৎসক মাহফিদা আক্তার হ্যাপির তত্ত্বাবধানে নরমাল ডেলিভারি হয় তানজিনার।
চিকিৎসক মাহফিদা আক্তার হ্যাপি বলেন, শিশুটির খুলি ও মগজ ছিল না। জন্ম হওয়ার পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো ছিলো। পরে শিশুটিকে হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডে রাখা হয়। ফলিক এসিডের অভাবে এমন শিশুর জন্ম হয়। মায়ের পেটে এই ধরনের শিশুদের মস্তিস্কের পূর্ণ গঠন হয় না।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের শিশু বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. আক্তার হোসেন বলেছেন, এই ধরনের শিশুর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা কম। নিউরো সার্জনরা দেখে বলতে পারবে কিছু করা যায় কিনা। এটি জন্মগত ত্রুটি।
(ঊষার আলো- এম.এইচ)
