বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এ অনন্য সাফল্য অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) নয়টি উদ্ভাবনী দলকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাজধানীর বিজয় সরণির নভোথিয়েটারে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এ অংশ নিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে বিজয়ী পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম হিসেবে বিশেষ স্বীকৃতি অর্জন করে।
সোমবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে গবেষণা ও উদ্ভাবনী কেন্দ্রের উদ্যোগে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী দলগুলোর প্রতিনিধিদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম।
অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন, ইনোভেশন ফেয়ারে অর্জিত এ সাফল্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি। শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষের পাশাপাশি উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতার ক্ষেত্রেও নিজেদের দক্ষতা তুলে ধরতে হবে। তিনি সম্ভাবনাময় উদ্ভাবনগুলোর পেটেন্ট নিশ্চিতকরণ, উন্নয়ন এবং প্রয়োজনে বাণিজ্যিকীকরণের উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ খান বলেন, শিক্ষার্থীদের এ অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার গর্বিত। গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে এবং ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্য অর্জনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
গবেষণা ও উদ্ভাবনী কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ড. কাজী মোহাম্মদ দিদারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মো. গোলাম হোসেন, ছাত্রবিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মো. সালাউদ্দীন এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ইনোভেশন হাবের পরিচালক প্রফেসর ড. জিএম আতিকুর রহমান।
সংবর্ধনা পাওয়া দলগুলোর মধ্যে ছিল ‘স্মার্ট হুইলচেয়ার’, ‘নিও সেভার’, ‘এআই-বেজড ক্যাম্পাস সিকিউরিটি’, ‘ব্লিস সিহাত’, ‘হাই ভোল্টেজ এনার্জি-এফিশিয়েন্ট থ্রিডি প্রিন্টার’, ‘ইকোলিংক’, ‘এআই-পাওয়ার্ড ইসিজি স্ক্রিনিং ডিভাইস’, ‘ট্রু-সাইট’ এবং ‘আরবান আর্থ’। এর মধ্যে ‘স্মার্ট হুইলচেয়ার’ প্রকল্পটি ব্যক্তিগত ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে বিশেষ সাফল্য অর্জন করেছে।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের ডিন, ডিসিপ্লিন প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং সংবর্ধিত দলগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
