UsharAlo logo
, |
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আদালতে দোষ স্বীকার করে শিশু বক্তার জবানবন্দি

ঊষার আলো
মে ২৮, ২০২১ ৪:০৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ঊষার আলো ডেস্ক : রাষ্ট্রবিরোধী ও উসকানিমূলক বক্তব্য এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন রফিকুল ইসলাম মাদানী। শুক্রবার (২৮ মে) গাজীপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শেখ নাজমুন নাহারের আদালতে হাজির করা হলে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি। বিকেলে বিষয়টি জানিয়েছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সিনিয়র সহকারী কমিশনার শুভাশীষ ধর।
শুভাশীষ ধর বলেন, র‌্যাবের করা মামলায় গ্রেফতার মাদানীকে একদিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন র‌্যাব-১ তদন্ত কর্মকর্তা। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শুক্রবার (২৮ মে) আদালতে হাজির করলে দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি। তার বিরুদ্ধে গাছা থানা ছাড়াও বাসন থানা এবং ঢাকার তেজগাঁও থানায় মামলা রয়েছে।
তিনি বলেন, গত ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে গাজীপুরের বোর্ড বাজারের কলমেশ্বর এলাকায় একটি কারখানা চত্বরে মাহফিলে বক্তব্য দেন মাদানী। সেখানে রাষ্ট্র, সরকারবিরোধী ও আইনশৃঙ্খলা পরিপন্থী উসকানিমূলক বক্তব্য দেন তিনি, যা ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার হয়।
উসকানিমূলক বক্তব্যের কারণে তার অনুসারীরা গত ২৬ মার্চ বায়তুল মোকাররম মসজিদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গত ৭ এপ্রিল নেত্রকোনার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।
পরদিন তাকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন গাছা থানায় হস্তান্তর করা হয়। ৮ এপ্রিল গাছা থানায় র‌্যাব-১ ডিএডি আব্দুল খালেক বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। এ মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেফতারের পর তার কাছ থেকে চারটি মোবাইল জব্দ করা হয়। তিনি মোবাইলের মাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। তার মোবাইলে পর্নো ভিডিও পাওয়া যায়। এজন্য গাছা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২-এর ৮(৫)(ক) ধারা সংযোজন করা হয়। রফিকুলের বয়স ২৭ বছর হলেও তাকে ‘শিশু বক্তা’ বলে ডাকেন ভক্তরা।
শুভাশীষ ধর আরও বলেন, মাদানীর বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫, ২৮ ও ৩১ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। যেখানে ধর্মীয় মূল্যবোধ, অনুভূতিতে আঘাত, আক্রমণাত্মক ও মিথ্যা ভয়ভীতি প্রদর্শন, তথ্য-উপাত্ত ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশ এবং সম্প্রচার করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটানোর অপরাধের কথা বলা হয়েছে।

(ঊষার আলো-এমএনএস)