ঊষার আলো রিপোর্ট : রাজধানীর রামপুরায় গলায় ফাঁস দিয়ে হামিদা বেগম (২৫) নামের এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে। ১৯ জুন শনিবার রাত সোয়া নয়টার দিকে রামপুরার উলন বাগিচারটেক এলাকার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটেছে।
হামিদা বেগমের বাড়ি নওগাঁর জেলায়। তার স্বামীর নাম মেহেদী হাসান। রামপুরা উলন বাগিচারটেক এলাকায় ১৪/২/১ বাসার অষ্টম তলায় ভাড়া বাসায় থাকেন তারা।
মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমি ডিপিডিসির সাব-স্টেশন ইঞ্জিনিয়ার। বাসায় আমার স্ত্রী ও ৫ বছরের মেয়ে ছিল। বাসার আরকে ভাড়াটিয়ার ছেলে সাদ আমাকে ফোন দিয়ে বলে, আপনার স্ত্রী ফাঁসি নিয়েছে। আমি দ্রুত বাসায় এসে দেখি, রুমে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে রয়েছে হামিদা। ওড়না কেটে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার স্ত্রীর ২ মাস আগে পিত্তথলিতে একটা অপারেশন হয়। অপারেশনের পর থেকে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। বিভিন্ন সময় দুশ্চিন্তায় থাকতো। সে এ নিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে আমার ধারণা।’
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া বলেছেন, হামিদা বেগমের স্বামী মেহেদী হাসানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ ক্যাম্পে রাখা হয়েছে। বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে মৃতদেহ। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।
(ঊষার আলো-এম.এইচ)
