ঊষার আলো রিপোর্ট: বয়সটা ঠিক কতো জানে না লতা বিবি। তবে শরীরের অবস্থা দেখে মনে হলো বয়স কম করে হলেও সত্তর ছাড়িয়ে যাবে। তার বাড়ি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সংলগ্ন কেওয়াটখালি রেলওয়ে বস্তিতে। বয়সের ভারে ন্যুব্জ লতা বিবি, কথাও বলতে পারছে না ঠিকমতো। তারপরও ছুটে এসেছেন তীব্র শীতে একটু উষ্ণতার খোঁজে। তার মতো আরো দেড় শতাধিক অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে খুঁজে বের করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) শাখা ।
শিশু সন্তানকে সাথে নিয়ে আজন্ম খোঁড়া জমিলা এসেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের এলাকা ওয়াবদা মোড় থেকে। কম্বল পেয়ে উচ্ছ্বসিত তিনিও। বলেন, সন্তানদের নিয়ে শীতে অনেক কষ্ট হয়। এখন আর ঠাণ্ডা লাগবে না। কম্বল পেয়ে খুশিতে আত্মহারা হয়ে সেখানেই গায়ে জড়িয়ে নেন তিনি। এমন মহতী উদ্যোগ যারা গ্রহণ করেছে তাদের জন্য সারাজীবন দোয়া করবেন, বলতে বলতেই কেঁদে ফেললেন তিনি। ময়মনসিংহ কেওয়াটখালী রেলওয়ে কলোনী মাঠে শীতার্তদের জন্য কম্বল বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করেন।
উপস্থিত গণ্যমান্য লোকজন বলেন, সুবিধাবঞ্চিত শীতার্ত মানুষের জন্য বসুন্ধরা গ্রুপের এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। তারা তাদের মানবসেবার এই ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। শনিবার (১৫ জানুয়ারি) কম্বল বিতরণের সময় শাখা ও শুভাকাঙ্ক্ষিরা উপস্থিত ছিলেন।
