ঊষার আলো রিপোর্ট : শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়াঘাট থেকে ২টি ফেরি ছেড়ে গেছে। ফেরিতে অ্যাম্বুলেন্সের সাথে পার হয়েছেন দক্ষিণবঙ্গের ঘরমুখো তিন হাজার যাত্রী। সোমবার (১০ মে) এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসির) শিমুলিয়াঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সাফায়েত আহমেদ। সাফায়েত আহমেদ জানান, ফেরি, লঞ্চ এবং স্পিডবোট চলাচল বন্ধ থাকার পরও শিমুলিয়াঘাটে দক্ষিণবঙ্গের ঘরমুখো যাত্রী ঢল অব্যাহত রয়েছে। হাজার হাজার যাত্রী এখনও শিমুলিয়া ঘাট এলাকায় পারাপারের জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন। সকাল ১০টায় ৫-৬টি লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে শিমুলিয়াঘাটে আসে। কিন্তু শুধু মাত্র অ্যাম্বুলেন্স পারাপারের জন্যই ফেরি যমুনা ছাড়া হয়েছিল। এ ফেরিতে অ্যাম্বুলেন্সের সাথে তিন হাজার যাত্রীও নৌরুট পারাপার হয়েছেন।
মুন্সীগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নাজমুল রায়হান জানান, শিমুলিয়াঘাট এলাকায় বেলা ১২টায় পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে পাঁচ শতাধিক পন্যবাহি ট্রাক। কিন্তু প্রাইভেটকার এবং মাইক্রোসহ যাত্রীবাহী কোনো যানবাহন ঘাট এলাকায় প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
এদিকে, ফেরির অপেক্ষায় ভোগান্তিতে পরেছে দক্ষিণবঙ্গগামী হাজারো যাত্রী।
ফেরি বন্ধ থাকায় পদ্মা পাড়ি দিতে নানাভাবেই চেষ্টা করছে যাত্রীরা। ট্রলার এবং জেলে নৌকায় পদ্মা পার হওয়ার সময় সোমবার ৬টি ইঞ্জিনচালিত নৌকা আটক করেছে নৌপুলিশ।
মাওয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সিরাজুল কবির বলেন, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ঝুঁকি নিয়ে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটের আশপাশ থেকে পদ্মা পার হয়ে মাদারীপুরের বাংলাবাজার, কাঁঠালবাড়ি এবং শরীয়তপুরের মাঝিকান্দি যাওয়ার চেষ্টা চলছিল। ট্রলারে নারী এবং শিশু কিশোরই বেশি। যাত্রীদের ঘাটে পুশব্যাক করে মাঝি এবং নৌকা আটক করে রাখা হয়েছে। মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার বলেন, মানুষের ঢল কোনভাবেই থামানো যাচ্ছে না। এই কারনে সংক্রমণ ঝুঁকি এড়াতে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ঘাটে দিনের বেলায় সব রকম ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।
(ঊষার আলো-আরএম)
