UsharAlo logo
, |
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতায় ও সহযোগিতায় উপকূলের মানুষ স্বাভাবিক জীবনে ফিরছে: এমপি বাবু

ঊষার আলো
মে ২০, ২০২১ ৮:৪৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

পাইকগাছা প্রতিনিধি : গত বছরের ২০মে সুপার সাইক্লোন আম্পানের আঘাতে লন্ডভন্ড হয় খুলনার দক্ষিণের উপকূল কয়রা। বৃহস্পতিবার (২০ মে) আম্পানের এক বছর পূর্তিতে খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু মোটর সাইকেল যোগে আবার কখনো পায়ে হেঁটে সারাদিন কয়রা উপজেলার আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত জনপদ পরিদর্শন করেন। সকাল ১০টায় উপজেলার ডাকবাংলা ভবন থেকে বের হয়ে প্রথমে কপোতাক্ষের ভাঙ্গণ কবলিত মদিনাবাদ লঞ্চ ঘাট এলাকা পরিদর্শন করেন এরপর আম্পানে বিধ্বস্ত কয়রা সদর হয়ে কাশির হাটখোলা পর্যন্ত সড়ক ও জনপদ বিভাগের এই সাত কিলোমিটার বিধ্বস্ত সড়ক পরিদর্শন শেষে উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের ভাঙ্গণ কবলিত কাটকাটা, গাজীপাড়া, হরিহরপুর, গাতির ঘেরি, ৪নং কয়রা পল্লীমঙ্গল হয়ে সুতীর অফিস ক্লোজার পরিদর্শন করেন এ সময় স্থানীয়দের দুঃখ-দুর্দশার কথা বিবেচনা করে তাৎক্ষণিক ক্লোজার মেরামতের জন্য ৬ লক্ষ টাকা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। বিশেষ করে কয়রা সদর থেকে উত্তর বেদকাশী হাটখোলা পর্যন্ত সড়ক ও জনপদের সাত কিলোমিটার গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি মেরামতের ব্যাপারে সড়ক ও জনপদের উপস্থিত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জরুরি ভিত্তিতে মেরামতের তাগিদ দেন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনকালে সাংসদ আক্তারুজ্জামান বাবু বলেন, আম্পান পরবর্তী সময়ে সরকারি ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে উপজেলায় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে পর্যাপ্ত ত্রাণ ও আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতায় ও সহযোগীতায় উপকূলের আম্পানের ক্ষয় ক্ষতি কাটিয়ে মানুষ দ্রুত স্বাভাবিক যাপন করছে। ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও গ্রামীন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের কাজ চলমান আছে। আম্পানের আঘাতে লন্ডভন্ড নদী ভাঙ্গণ কবলিত স্থান ঠিক করা হয়েছে। পাশাপাশি নদী ভাঙ্গন রোধে টেকসই বেঁড়িবাধের কাজের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে এবং যাতে দ্রুত বাস্তবায়ন হয়। সে সে লক্ষ্যেই সার্বক্ষণিক কাজ করছি: বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকার মানুষ যাতে আম্পানের মতো ঘূর্ণিঝড়ে জান মালের ক্ষতির মধ্যে পড়তে না হয় সে ব্যাপারে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা শহরের সুবিধা নিশ্চিত করা হবে গ্রামে। পরিকল্পিত ও টেকসই উন্নয়নে গ্রামের প্রতিটি সড়ক হবে পাকা। আগে যেসব সড়ক দিয়ে মানুষ হেঁটে যাতায়াত করতে দুর্ভোগ পোহাতো, আগামীতে সেই সব সড়কে চলাচল করবে সব ধরনের গাড়ি। সরকারের প্রতিটি সেক্টর এখন গ্রামীণ জনপদের সড়ক উন্নয়নে টেকসই পদ্ধতি গ্রহণ করেছে। সরকারের ব্যাপক সহযোগিতার মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারায় সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি (সাংসদ) আরো বলেন, চলমান গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়নকাজসমুহ সমাপ্ত হলেই জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা মোতাবেক আগামীতে কয়রা-পাইকগাছার প্রতিটি জনপদে দৃশ্যমান উন্নয়ন হবে। যোগাযোগ খাতের অভাবনীয় পরিবর্তনে গ্রামের মানুষ পাবে শহরের সুবিধা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনার সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ আসলাম আলী,খুলনা সড়ক ও জনপদের নির্বাহী প্রকৌশলী আনিসুজ্জামান মাসুদ,এম ই পি এল এক্সিকিটটিভ ডাইরেক্টর হুমায়ুন কবির খোকন,কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জি এম মোহসিন রেজা, কয়রা উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ বিশ্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাড. কমলেশ কুমার সানা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউপি চেয়ারম্যান সরদার নূরুল ইসলাম কোম্পানি, কয়রা সদর ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির, জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন বাবু, জেলা যুবলীগ নেতা শামীম সরকার, কয়রা সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি এস এম জিয়াদ আলী ,যুবলীগ নেতা অ্যাড. আরাফাত হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি শরিফুল ইসলাম টিংকু, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক বাদলসহ দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় গন্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

(ঊষার আলো-এমএনএস)