UsharAlo logo
, |

সাকুরা সায়েন্স এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে অংশ নিতে জাপান যাচ্ছেন খুবির ৭ কৃতী শিক্ষার্থী

ঊষার আলো ডেস্ক
জানুয়ারি ২৯, ২০২৬ ৯:০৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

জাপান সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এজেন্সি (জেএসটি)-এর সহায়তায় পরিচালিত ‘সাকুরা সায়েন্স এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম’-এ অংশ নিতে জাপান যাচ্ছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) সাতজন কৃতী শিক্ষার্থী। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাপানের ইউনিভার্সিটি অব ইয়ামানাশির মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ)-এর আওতায় এ প্রোগ্রাম বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রতিনিধি দলের ইনভাইটেড ফ্যাকাল্টি হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন খুবির সয়েল, ওয়াটার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ তারেক বিন সালাম।

অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা হলেন— সয়েল, ওয়াটার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ডিসিপ্লিনের গাজী ইকরামুল হক রাকিব, তাসফিয়া জামান রোশনী, শিউলি চাকমা, দেবাশীষ অধিকারী, বিজ্ঞ দাস অতনু, জয় কুমার ঘোষ এবং অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের মোঃ সজীব মিয়া।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় শিক্ষার্থীরা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে উপ-উপাচার্যকে অবহিত করেন।

শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে উপ-উপাচার্য বলেন, এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার নতুন সুযোগ সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি ইয়ামানাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কলারশিপ প্রোগ্রামের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় অংশগ্রহণের জন্যও শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করেন।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দি অফিস অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ আশিক উর রহমান এবং সয়েল, ওয়াটার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ তারেক বিন সালাম।

আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা জাপানে অবস্থান করবেন। এ সময় তারা ইউনিভার্সিটি অব ইয়ামানাশিতে আয়োজিত বিভিন্ন একাডেমিক ও ব্যবহারিক কার্যক্রমে অংশ নেবেন। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশে কৃষি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে উপস্থাপনা, দুই দেশের শিক্ষার্থীদের মতবিনিময়, সেমিনার ও গ্রুপ ডিসকাশন।

এ ছাড়া শিক্ষার্থীরা কুরোফুজি ফার্ম পরিদর্শন করবেন, যেখানে জাপানের হাতে গোনা জেএএস-সার্টিফায়েড অর্গানিক ডিম উৎপাদন করা হয়। সেখানে তারা অর্গানিক ফার্মিং, কৃষি-লাইভস্টক সমন্বয় এবং অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার সম্পর্কে বাস্তব ধারণা অর্জন করবেন। পাশাপাশি সম্পূর্ণ কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত স্মার্ট এগ্রিকালচারের মাধ্যমে টমেটো উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এগ্রিমাইন্ড কোং লিমিটেড পরিদর্শন করবেন এবং ইয়ামানাশি প্রিফেকচারের বিভিন্ন কৃষি উৎপাদন কেন্দ্রে সরাসরি কৃষিকাজের অভিজ্ঞতা লাভ করবেন।

প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে জাপান ও বাংলাদেশের কৃষিখাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ, বিশেষ করে সয়েল স্যালাইনিটি ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা নিয়ে যৌথ গ্রুপ ডিসকাশন ও উপস্থাপনায় অংশ নেবেন শিক্ষার্থীরা। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষি ও পরিবেশভিত্তিক গবেষণায় দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ভবিষ্যৎ একাডেমিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।

ঊআ-রহমাতুল্লাহ