UsharAlo logo
, |
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খুবিতে ‘রিসার্চ এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন ৭ শিক্ষক

Mohon Chowdhury
অক্টোবর ১৪, ২০২৬ ৭:১১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

 

গবেষণায় অবদান ও কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান স্কুলের সাতটি ডিসিপ্লিনের সাত শিক্ষককে ‘রিসার্চ এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৫’ প্রদান করা হয়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত গবেষণাকর্মের মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রথমবারের মতো এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম।

অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষকরা হলেন—এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মো. ইয়ামিন কবীর, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মো. মুরছালিন বিল্লাহ, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক সাধন চন্দ্র স্বর্ণকার, ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. অলোকেশ কুমার ঘোষ, ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মো. ইফতেখার শামস, ফার্মেসি ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক মো. মনিরুল ইসলাম এবং সয়েল, ওয়াটার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট সায়েন্স ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিল্টন হালদার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণার মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে চায়। এ লক্ষ্যে শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও একাডেমিয়ার মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি গবেষণা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অন্যতম প্রধান কাজ মৌলিক গবেষণা। গবেষণার উৎকর্ষ সাধনে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ও এগিয়ে যাচ্ছে। বড় পরিসরে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়টি হিটের আটটি প্রকল্প পেয়েছে। এ সময় তিনি গবেষণায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করতে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ খান বলেন, গবেষণার মাধ্যমে মানুষের জীবনমান উন্নয়নের পথ তৈরি হয়। গবেষণায় নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করতে হলেও এ ধরনের পুরস্কার গবেষকদের কাজের স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ করতে উৎসাহিত করবে।

ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. নূরুন্নবী বলেন, গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি ও উদ্ভাবনের পথ উন্মোচিত হয়। জীববিজ্ঞান স্কুলের এ উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার সংস্কৃতি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মো. গোলাম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ও ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. মো. নবীউল ইসলাম খান। অনুষ্ঠানে অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষকরা তাঁদের গবেষণাকর্ম নিয়ে সংক্ষিপ্ত উপস্থাপনা দেন।

এ ছাড়া জাতীয় পর্যায়ে ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ পাওয়ায় বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মো. মুরছালিন বিল্লাহ এবং অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মো. নাসিফ আহসানকে জীববিজ্ঞান স্কুলের পক্ষ থেকে সম্মাননা জানানো হয়।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সয়েল, ওয়াটার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক শারমিন সুলতানা এবং ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রভাষক নওরিন আহসান হাবিব। এতে বিভিন্ন স্কুলের ডিন, ডিসিপ্লিনপ্রধান, পরিচালক ও শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

ঊআ- মোচৌ