ঊষার আলো রিপোর্ট : দীর্ঘ ৮ বছরেও লাখো মানুষের চলাচলের রাস্তা শীপইয়ার্ড রোড প্রশস্তকরণ প্রকল্পের কাজ শেষ না হওয়ায় খুলনা মহানগর বিএনপি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত কাজ শেষ করার আহবান জানিয়েছেন। প্রদত্ত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ মূল শহর থেকে রূপসা ব্রীজে পৌঁছানোর ২য় সড়ক রূপসা শীপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্ত করণের প্রয়োজনীয়তা দেখে ২০১৩ সালে প্রায় ৯৯ কোটি টাকার শীপ ইয়ার্ড রোড প্রশস্তকরণ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন ও অর্থছাড় হলেও দীর্ঘ ৮ বছর শুধুমাত্র জমি অধিগ্রহণ ছাড়া কিছুই হয়নি। প্রকল্প যথাসময়ে সমাপ্ত না হওয়ায় প্রকল্প ব্যয় ৯৯ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫৯ কোটি ৫১ লক্ষ টাকা করার পরও কাজ শেষতো দুরের কথা টেন্ডার কার্যক্রম শেষ করতে না পারায় নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ প্রশ্ন রেখে বলেছেন এই ধরনের একটি চার লেন সড়ক নির্মানে পূর্বাভিজ্ঞতা ও জনবল না থাকা কেডিএকে কেন প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেয়া হল? তাদের কাজ নগর পরিকল্পনার, তারা কেন সড়ক নির্মাণের কাজ করবে?
ইতিপূর্বে খুলনার বিভিন্ন সড়ক ও ছোট ব্রীজ নির্মাণে কেডিএ যে দূর্নাম কুড়িয়েছে সেই প্রতিষ্ঠানকে কেন এতবড় একটি প্রকল্প দেয়া হল? দেশের দূর্নীতিগ্রস্থ অন্যান্য প্রকল্পের মত এই প্রকল্পের কর্তাদের বিদেশ ভ্রমন ও গাড়ী ক্রয়ের কাজ ঠিকই সম্পন্ন হয়েছে। আরও যথাসময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় প্রকল্প ব্যয় অতিরিক্ত প্রায় দেড়শত কোটি টাকার গচ্চাতো জনগণের পকেট থেকেই দেয়া হবে। নেতৃবৃন্দ শীপইয়ার্ড সড়ক প্রকল্প ৮ বছরেও সম্পন্ন না হওয়ায় জনভোগান্তি ও অর্থ অপচয়ের জন্য কার গাফিলতি তা খুজে বের করে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এই সাথে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন বিভাগকে দিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করে জনভোগান্তি ও অর্থ সাশ্রয়ের দাবি জানিয়েছেন।
বিবৃতিদাতারা হলেন, মহানগর বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশাররফ হোসেন, জাফরউল¬াহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এড. ফজলে হালিম লিটন, এড. বজলুর রহমান, এড. এস আর ফারুক, স ম আব্দুর রহমান, শেখ ইকবাল হোসেন, শেখ জাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মো. মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এস এম আরিফুর রহমান মিঠু ও ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।
(ঊষার আলো-এমএনএস)
