ঊষার আলো রিপোর্ট : নগরীর গুলশানের একটি রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে সিসা সেবনের সরঞ্জামসহ ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ। গুলশান ১ ও ২ নম্বর সেকশনের মাঝামাঝি আরএম সেন্টারে অবস্থিত ‘মন্টানা লাউঞ্জ’। মঙ্গলবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় এ রেস্তোরাঁটিতে অভিযান চালায় পুলিশ। ‘মন্টানা লাউঞ্জ’ রেস্তোঁরার মালিক তিনজন। এদের মধ্যে ১ জন তারকা দম্পতি ওমর সানি এবং আরিফা জামান মৌসুমীর ছেলে ফারদিন এহসান স্বাধীন। গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্ম কর্তা (ওসি) আবুল হাসান জানান, ‘এই রেস্তোরাঁ থেকে ২ প্যাকেট ও আরো কিছু খোলা সীসার উপকরণ পাওয়া গেছে। সেখান থেকে ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ওমর সানি গণমাধ্যমকে জানান, ‘‘মন্টানা লাউঞ্জ আমাদের। ৭ থেকে ৮ মাস ধরে এটি চলছে। সিসার বিজনেস ইলিগ্যাল কোনো বিজনেস না। গুলশান-বনানীতে এটি ছাড়াও ৩০টির বেশি লাউঞ্জ রয়েছে। মূলত রেস্তোরাঁটি খাবারের। ‘কিছু সময়’ সিসা ‘সার্ভ’ করা হয়।’’ পুলিশ যাদের আটক করেছে রেস্তোরাঁটির কর্মী। এ বিষয়ে ওমর সানি বলেন, ‘এই ছয়জন নেহায়েত গরিব মানুষ, চাকরি করে খায়।’ সিসার ব্যবসা ওমর সানির মূল বিজনেস নয়। বিষয়টি উল্লেখ করে এই অভিনেতা বলেন, ‘সিসা আমার মূল ব্যবসা না। এটা থেকে আমার রিজিক চলে না। আমি আইনের সঙ্গে শতভাগ আছি। আমার প্রশ্ন গুলশানে কি শুধু একটাই লাউঞ্জ আছে? নামকরা সিসা লাউঞ্জগুলো ৫-৭ বছর ধরে চলছে। আমার জানা মতে, বাংলাদেশে দুই থেকে তিনশ লাউঞ্জ আছে। পুরো বাংলাদেশে আজকের মধ্যেই যদি সব লাউঞ্জ বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে রাষ্ট্রের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই। কিন্তু বিশেষভাবে আমাকে টার্গেট করে যদি করা হয়ে থাকে, তাহলে রাষ্ট্রের কাছে বিচার চাইতেই হবে। এর আগে উত্তরায় ওমর সানির আরেকটা লাউঞ্জ ছিল। সেটা ৩-৪ বছর চালানোর পর কোভিডের কারণে লোকসানে পড়ে বলেও জানান ওমর সানি।
(ঊষার আলো-আরএম)
