ঊষার আলো প্রতিবেদক : চাঁদা না দেয়ায় দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত হয়েছে স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজন। আহতরা হলেন ঘের ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর মল্লিক(৩৫), স্ত্রী মারজিনা বেগম (৩০) ও মাহিনুর বেগম(৩১)।
শনিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বাগেরহাট সদর থানাধীন গোটাপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের স্থানীয় ও খুমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী মোস্তাফিজুর রহমান গোটাপাড়ার বাসিন্দা বীরমুক্তিযোদ্ধা মৃতঃ আঃ রহিম মল্লিকের ছেলে। রবিবার সন্ধ্যায় খুমেক হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় এ প্রতিনিধির সাথে কথা হয়। তিনি বলেন, ওই এলাকার একদল দুর্বৃত্ত তার কাছে প্রায় চাঁদা দাবি করে। এলাকায় শান্তিতে বসবাসের কথা চিন্তা করে প্রায় তাদের দাবিকৃত চাঁদা দিয়ে আসছেন তিনি। সম্প্রতি আবারো ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে ওই দুর্বৃত্তরা। তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে শনিবার বিকেলে তাদের বাড়িতে ১৮/২০ জনের একদল দুর্বৃত্ত চড়াও হয়। তারা তাকে বাড়ি থেকে জোর করে ধরে নিয়ে স্থানীয় ক্লাব মোড়ে নিয়ে যায়। এখানে দুর্বৃত্তরা তাকে হাতুড়ি ও পোড়েন (বাটখাড়া) দিয়ে বেধড়ক আঘাত করে। এ সময় তার স্ত্রী ও বোন ঠেকাতে গেলে তাদেরও মারধর করে আহত করে। এখান থেকে দুর্বৃত্তরা তাকে পাশ্ববর্তী ক্লাবমোড়ে নিয়ে আবারো মারধর করে। খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশ এসে দুর্বৃত্তদের কাছ থেকে তাকে উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে তাদের তিনজনকে ভর্তি করে। পরে অবস্থার অবনতি হলে মোস্তাফিজকে খুমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। দুর্বৃত্তরা তার মাথা ফাটিয়ে ও ডান পা ভেঙ্গে দিয়েছে। এছাড়া সমগ্র শরীর আঘাতে জড়জড়িত করেছে। দুর্বৃত্তরা তাদের রান্না ঘরটি ভেঙ্গে দিয়েছে বলে তিনি জানান। এ ঘটনায় ভিকটিমের বড় ভাই মফিজ মল্লিক থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।
বাগেরহাট সদর থানার ওসি মারধরের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কেন মারছে তা নিয়ে পরস্পর বিরোধী বক্তব্য রয়েছে। তবে মোস্তাফিজকে পুলিশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় রাত পৌনে ৯টা পর্যন্ত কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দাখিল করেনি বলে তিনি জানান।
