ঊষার আলো ডেস্ক : শুক্রবার (১৫ এপ্রিল) রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা এ মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। কয়েক দিন ধরে রাজশাহী অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তাপপ্রবাহ। এর মধ্যে গত ৪ এপ্রিল মাত্র দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। এর আগে ও পরে দেশের বিভিন্ন স্থানে হালকা বৃষ্টি হলেও খরাপ্রবণ এলাকা রাজশাহীতে বৃষ্টির দেখা নেই। শুধু তাই নয়, গত কয়েকদিন ধরেই দেশের একাধিক স্থানে ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছে। অসহনীয় গরমে অস্থির হয়ে ওঠছে মানুষ। এরমধ্যে শুক্রবার রাজশাহীর তামপাত্রা এ মৌসুমের রেকর্ড ছাড়িয়েছে।
বৃষ্টির জন্য চারিদিকে হাহাকার পড়েছে। টানা দাবদাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। অসহনীয় রোদ আর গরমে স্থবিরতা নেমে এসেছে কর্মজীবনেও। বাসা, অফিস কিংবা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সবখানেই যেন গরম আর গরম।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়া পর্যবেক্ষক রেজওয়ানুল হক জানিয়েছেন, কয়েক দিন ধরে রাজশাহীর তাপমাত্রা বাড়ছে। শুক্রবার বেলা ৩টায় রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপামাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তিনি জানান, সাধারণত তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে মৃদু তাপপ্রবাহ, ৩৮ থেকে ৪০ হলে মাঝারি তাপপ্রবাহ এবং ৪০ থেকে ৪২ হলে তীব্র তাপপ্রবাহ ধরা হয়। তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে উঠলে তাকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়।
এছাড়া দেশের আরো কয়েকটি অঞ্চলে উচ্চ তাপমাত্রা দেখা গেছে। চুয়াডাঙ্গায় ৩৯, ঈশ্বরদীতে ৩৯ দশমিক ৫, বদলগাছিতে ৩৭, দিনাজপুরে ৩৭ দশমিক ৫, কুমারখালীতে ৩৮ দশমকি ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। তবে ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
শুক্রবার সন্ধ্যার তাপপ্রবাহের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে- দিনাজপুর, টাঙ্গাইল ও ফরিদপুর অঞ্চলসহ রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যহত থাকতে পারে।
এদিকে, আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে- ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে প্রবল বিজলী চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথায়ও কোথায়ও শিলাবৃষ্টি হতে পারে।
