বাগেরহাট প্রতিনিধি : বাগেরহাট সদর উপজেলার বেমরতা ইউনিয়নের গোলাম কবীর (৩৫) নামের আওয়ামী যুবলীগ নেতা কে তুলে নিয়ে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গোলাম কবীরের ভাই আমজাদ হোসেন বাদী হয়ে মঙ্গলবার(১৮ মে) দুপুরে বাগেরহাট মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আটক ৭ জনসহ এ মামলায় আসামী করা হয়েছে মোট ১১ জনকে। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন, সদর উপজেলার বেমরতা ফতেপুর গ্রামের মিনা ফরিদুর রহমান ওরফে সুধা মিনার ছেলে রাসেল মিনা (৪০), একই গ্রামের সুজন খানের ছেলে জয় খান (১৮), বিজয়পুর গ্রামের সেকেন উদ্দিন শেখের ছেলে বেদার সেখ (২৮), কাওছার হাওলাদারের ছেলে তুরান হাওলাদার(২৫), রশিদ সেখের ছেলে কামরুজ্জামান (২৪), জাকির হাওলাদারের ছেলে শামীম হাওলাদার (২৬) ও মালেক ফকিরের ছেলে সেকেন্দার ফকির (৩২)। পুলিশ জানায়, পুর্ব-শত্রুতার জের ধরে সোমবার রাত ১১ টায় বাগেরহাট সদর উপজেলার বেমরতা ইউনিয়নের বিজয়পুর গ্রামের হাকিম হাওলাদারের ছেলে স্থানীয় ২ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি গোলাম কবীর ও তার সহযোগী তারিক শেখকে ধাওয়া দিয়ে খানজাহান আলী মাজার এলাকায় নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। এরপর তাদেরকে এলোপাতাড়ীভাবে মারপিট করতে থাকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যেয়ে গোলাম কবীর ও তারিক কে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্ত্তি করা হয়েছে। এ সময় স্থানীয় জনতার সহায়তায় ঘটনাস্থল থেকে ৭ জন সন্ত্রাসীকে আটক করলেও বাকীরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত একটি পিক-আপ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে।
আজ দুপুরে বাগেরহাট মডেল থানার ওসি কেএম আজিজুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল থেকে ৭ জনকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় গোলাম কবীরের ভাই আমজাদ হোসেন বাদী হয়ে ১১ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন। বাকী আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
(ঊষার আলো-আরএম)
