UsharAlo logo
, |
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কলেজছাত্রীকে যৌন হয়রানি: চারজনের বিরুদ্ধে চার্জশীট দাখিল

koushikkln
মার্চ ৩০, ২০২২ ১০:১৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ঊষার আলো প্রতিবেদক : নগরীর খালিশপুর হাউজিং বাজারে কলেজ ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও মারধরের ঘটনায় চারজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশীট দাকিল করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই গোলাম মোস্তফা এ চার্জশীট দাখিল করেন। যার নং-৪৮, তারিখ-২৮,০২,২২ইং। ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সংশোধনী/২০০৩) এর ১০ তৎসহ  ৪৪৮/৩২৩/৩২৪/৩৮০/৪২৭/৫০৬ পেনাল কোড।

চার্জশীটভুক্ত আসামীরা হলেন হাউজিং বাজার বক্কার কলোনীর বাসিন্দা আবুল কালাম আজাদের ছেলে মোঃ সোহেল (১৮), মৃত রজব আলীর ছেলে আবুল কালাম আজাদ(৪৪), আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী নাজমা বেগম(৩৮) ও আবুল কালাম আজাদের ছেলে সুজন(১৩)। প্রধান আসামী কারাগারে রয়েছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, হাউজিং বাজার বক্কারের বস্তির বাসিন্দার কলেজ পড়ূয়া মেয়ে (১৯)কে প্রায় বখাটে সোহেল উত্যক্ত করতো। বিষয়টি নিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিকট অভিযোগ দেয়া হয়। কিন্তু অবস্থার কোন পরিবর্তন হয়নি। ছেলেটি উৎপাত অব্যাহত রাখে। এতে করে মেয়েটি অনেকটা ঘরবন্দী হয়ে পড়ে। ছেলেটি ইতোমধ্যে পাঁচটি বিয়ে করলেও একটি বউও তার সংসারে নেই। সে এলাকায় ঘুরে বেড়ায় আর মেয়েটিকে উত্যক্ত করে। তারই ধারাবাহিকতায় ১১ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টার দিকে ভিকটিমের মা মধ্য ঘরে কাজ করছিলেন। সামনের ঘরে মেয়েটিকে একা পেয়ে সোহেল যৌন হয়রানির উদ্দেশ্যে তাকে জাপটে ধরে। ভিকটিমের চিৎকারে ঘরের সবাই এগিয়ে এসে দেখে সোহেল মেয়েটির সাথে ধস্তাধস্তি করছে। এক পর্যায়ে তাকে মুক্ত করা হয়। তার আগেই মেয়ের জামা টেনে ছিড়ে ফেলে সোহেল এবং শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়। ভিকটিমের বাবা নামাজ পড়ে বাসায় আসলে বিষয়টি তারা শুনতে গেলে  সোহেল ও তার মা বাবা আর ভাই মিলে ভিকটিম পরিবারের ওপর হামলা চালায়। তারা ভিকটিমের মা , বাবাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। এ সময় তারা ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর করে ও নগদ ৭০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। তাদের ডাক চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এ সময় ৯৯৯ নাম্বারে কল করলে খালিশপুর থানার এসআই গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে আসেন। তারা পরিস্থিতি শান্ত করেন। একই সময় তারা সোহেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে ওই চারজনকে আসামী করে খালিশপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও খালিশপুর থানার এসআই গোলাম মোস্তফা চার্জশীট দাখিলের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, চার্জশীট দাখিল করা হয়েছে, তবে শুনানী হয়েছে কি না বলতে পারছি না।