ঊষার আলো রিপোর্ট: গভীর রাতে সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে একটি বাসে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে বাসের ভিতরে সম্পূর্ণ অংশ ভষ্মিভুত হয়েছে। তবে দাড়িয়ে থাকা ফাঁকা বাসে আগুন লাগায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে খুলনা থেকে পাইকগাছা রুটে চলাচলকারী বাসটিতে (খুলনা জ-০৫-০০২১) হঠাৎ করেই আগুন লেগে যায়। বাসস্ট্যান্ডে কর্তব্যরত নৈশপ্রহরীরা প্রথমে তা লক্ষ্য করেন। এরপর পাশে থাকা বেশকিছু বাসের হেলপার ও চালকরা ছুটে আসেন। তারা সাথে সাথে আগুন লাগা বাসটির কাছ থেকে তাদের বাসগুলো সরিয়ে নেন। ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হলে দ্রæত ফায়ার কর্মিরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তারা প্রায় ৩০ মিনিট চেষ্টার পর আগুন নেভাতে সক্ষম হন। ততক্ষনে বাসের ভেতরে সম্পূর্ণ অংশ পুড়ে যায়। এতে প্রায় ৪-৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়। কি কারণে দাড়িয়ে থাকা একটি বাসে আগুন ধরে গেল এনিয়ে উপস্থিত সকলের মাঝে কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে।
বয়রা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা মোঃ সাঈদুজ্জামান জানান, দাড়িয়ে থাকা বাসে কখনই এমনি এমনি আগুন লাগেনি। হয়তো কেউ জলন্ত বিড়ি বা সিগারেটের অংশ ফেলেছিল। যেহেতু বাসের ভিতরে কেউ ছিলনা তাই বাইরে থেকে কেউ ফেলতে পারে। তিনি আরও বলেন, আবার মশার কয়েল জালিয়ে থাকলে তা থেকেও আগুন লাগতে পারে। এতে ৪-৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
খুলনা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন বিপ্লব বলেন, বাসটিতে আগুন দেখে নৈশপ্রহরীরা সকলকে খবর দেন। আমরা সাথে সাথে ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করি এবং গাড়ির মালিককে খবর দেই। তিনি আরও বলেন, এনিয়ে চার বার বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এর আগে প্রায় চার বছর আগে একটি বাসে আগুন লেগেছিল। সাধারণত মশার কয়েল থেকে অথবা সিগারেটের আগুন থেকে আগুন লাগতে পারে।
সোনাডাঙ্গা মডেল থানার এসআই বিপ্লব কান্তি দাস জানান, আগুন লাগার খবরে আমরা ছুটে এসেছি। বাসের ভিতরের অংশ পুরোটা পুড়ে গেছে। মশার কয়েল থেকে আগুন লাগতে পারে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে ধারনা করছি। এবিষয়ে এখনও (শনিবার রাত ৯টা) গাড়ির মালিক বা কেউ কোন অভিযোগ বা জিডি করেননি।

ছবি: ফায়ার সার্ভিসের কর্মিরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে।
