খুলনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. মনিরুজ্জামান মন্টু বলেছেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে রণাঙ্গনে বলিষ্ঠ নেতৃত্বে যুদ্ধ করা মেজর জিয়াউর রহমানের জন্য সামরিক আইনে নিশ্চিত ছিল মৃত্যু, যদি এ দেশ স্বাধীন না হতো। দিশাহারা জাতির ক্রান্তিকালে বারবার জীবনবাজি রেখে সংকট মোকাবেলায় জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ভূখণ্ডে ছিলেন এক অনন্য স্বদেশপ্রেমিক।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও বহুদলীয় গণতন্ত্র সুরক্ষায় শহীদ জিয়াউর রহমান এবং আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া একই সূত্রে গাঁথা। তাই তাঁদের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এবারের নির্বাচনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীককে নির্বাচিত করতে হবে। পলাতক ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া বিধ্বস্ত স্বদেশ শুধু বিএনপির হাতেই নিরাপদ।
মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীরউত্তম-এর ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল সোমবার বিকেলে ফুলতলা উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আবুল বাশারের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার মনির হাসান টিটোর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে মনিরুজ্জামান মন্টু আরও বলেন, স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের রাজনীতির চরম অধঃপতনের সময়ে মহান দেশপ্রেমের আলোকবর্তিকা নিয়ে আবির্ভূত হয়েছিলেন শহীদ জিয়া। নেতৃত্ব গ্রহণের পর অল্প সময়ের মধ্যেই ১৯ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’র অপবাদ থেকে মুক্ত করে বিশ্বে সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত করেছিলেন তিনি।
তিনি বলেন, শহীদ জিয়ার রেখে যাওয়া স্বপ্ন বাস্তবায়নের দায়িত্ব আমাদের। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ হবে জনগণের, বৈষম্যহীন ও সবার জন্য সমান সুযোগের বাংলাদেশ।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা কাজী আনোয়ার হোসেন বাবু, মোল্যা মনিরুল ইসলাম, জামাল হোসেন ভূইয়া, মো. ইব্রাহিম সরদার, মোতাহার হোসেন কিরণ, আনিচুর রহমান পলাশ, শেখ মহিউদ্দিন, কবির জমাদ্দার, শরিফুল ইসলাম, মো. ইদ্রিস মোল্যা, পিন্টু জমাদ্দার, আ. রহিম গাজী, মো. টিটু জমাদ্দার, মো. তরিকুল ইসলাম, মো. রউফ গাজী ও জিএম হারুন অর রশীদ প্রমুখ।
অনুষ্ঠান শেষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তাঁদের কণিষ্ঠপুত্র আরাফাত রহমান কোকোর মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
ঊআ-মোহন চৌধুরী
